Hindusthan Samachar
Banner 2 रविवार, अप्रैल 21, 2019 | समय 02:10 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

বাংলা নববর্ষ বলতে আজও সৈকতের চোখে ভাসে ‘বসুশ্রী’ সিনেমা হল

By HindusthanSamachar | Publish Date: Apr 12 2019 1:54PM
বাংলা নববর্ষ বলতে আজও সৈকতের চোখে ভাসে ‘বসুশ্রী’ সিনেমা হল
কলকাতা, ১২ এপ্রিল (হি. স.) : ১ বৈশাখ মানে বসুশ্রী। ১ বৈশাখ মানে উত্তমকাকু, হেমন্তকাকু। ১ বৈশাখ মানে কালীঘাটের ভোগ। ১ বৈশাখ মানে একগুচ্ছ অমলিন স্মৃতি। “ প্রায় এক নিশ্বাসে কথাগুলি বললেন এ কালের অন্যতম সেরা গায়ক সৈকত মিত্র। তাঁর নিজের কথায়, “বাংলা নববর্ষ বলতে আমার চোখের সামনে ভেসে ওঠে ‘বসুশ্রী’ সিনেমা হলের কথা। আমার তখন ৮-১০ বছর বয়স। পড়তাম বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট হাই স্কুলে। বাবার (শ্যামল মিত্র) হাত ধরে প্রতি বছর ১ বৈশাখ যেতাম ওখানে জলসায়। আগে থেকে দিন গুনতাম। ওই হলের মালিক এবং অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা ছিলেন মন্টু বসু। কে আসতেন না ওই জলসায়? সঙ্গীত-প্রশাসন-ক্রীড়া জগতের নক্ষত্ররা সমবেত হতেন। এত চাহিদা ছিল এই অনুষ্ঠানের যে রাস্তার ও পারে লোক জমে থাকত মাইকে গান শোনার জন্য। কিন্তু মূল আকর্ষণ ছিলেন উত্তমকুমার। যত দূর মনে আছে, উনি শেষ বারের মত এসেছিলেন ১৯৭৪-এ। জামাকাপড় ছিঁড়ে গেল। মাঝে একবার ওঁদের নিজস্ব কিছু কারণে মন্টুকাকুরা ঠিক করলেন ১ বৈশাখের অনুষ্ঠান করবেন না। কিন্তু অনুষ্ঠানের সপ্তাহখানেক আগে ওনাকে হেমন্তকাকু বললেন, মন্টু আমার কিন্তু অনুষ্ঠানের সাতটা টিকিট চাই। গেস্ট আছে। অস্বস্তিতে পড়ে উদ্যোক্তারা শেষ পর্যন্ত সে বারও অনুষ্ঠানটা করেন। কালীঘাটের মন্দিরের সেবায়েত হালদারদের সঙ্গে আমাদের খুব ঘনিষ্ঠতা ছিল। ওঁরা প্রতি বছর বাংলা নববর্ষে ওখানে, মানে বসুশ্রী-তে আমাদের প্রচুর ভোগ পাঠাতেন। বাবার সঙ্গী হিসাবে প্রায় আমার শৈশব থেকেই সেকালের দিকপালরা আমাকে চিনতেন। উজার করে দিতেন ওঁদের স্নেহ-ভালবাসা। লেক ভিউয়ের পাশে ওয়েডারবার্ন রোডে থাকতাম আমরা। বাবা ছিলেন বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের সহ সভাপতি। পরে বাসাবদল করে চলে আসি ইএমবাইপাস-সংলগ্ন রুবির মোড়ে। এখনও ১ বৈশাখ আমাকে উদ্দীপিত করে। তবে, এবারের বাংলা নববর্ষে মুম্বাই যাব। ওখানকার বাঙ্গালি সংগঠনের এক অনুষ্ঠানে গান গেয়ে পরদিনই ফিরে আসব কলকাতায়। আমার অবচেতন মনে কিন্তু উঁকি মারবে বসুশ্রী-র পরশ।”হিন্দুস্থান সমাচার / অশোক
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image