Hindusthan Samachar
Banner 2 शुक्रवार, अप्रैल 19, 2019 | समय 08:22 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

বিজেপির আর্জি মানতে চলেছে কমিশন

By HindusthanSamachar | Publish Date: Apr 12 2019 8:56PM
বিজেপির আর্জি মানতে চলেছে কমিশন
কলকাতা, ১২ এপ্রিল (হি.স) : রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্রকে সরানোর জন্য অনেক আগেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে দরবার করেছিলেন মুকুল রায়, জয়প্রকাশ মজুমদাররা। আর তাতেই এখন মান্যতা দিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার নির্বাচন কমিশনের অফিসারদের আলোচনার সুত্রে জানা যায়, দ্বিতীয় দফায় ভোটের আগেই সরতে পারেন রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্র। আর এই খবরে খুশি বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। তিনি বলেন, ''আলিপুরদুয়ার কোচবিহারে রাজ্য সশস্ত্র পুলিশের আওতাধীন বুথে যা হয়েছে , তাতে ডিজির নিজের থেকেই সরে যাওয়া উচিত। নির্বাচন কমিশন যদি সরিয়ে দেয় তাহলে ভালোই''। শুক্রবার কমিশন সুত্রে খবর, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার ভোট তথা ১৮ এপ্রিলের আগে উত্তরবঙ্গে আরও একজন বা দুজন পুলিশ সুপার বা অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে রাতারাতি বদলি করে দিতে পারে কমিশন। সেই সঙ্গে রাজ্য পুলিশের ওপরতলাতেও বড় রদবদল হতে পারে। এমনকী রাজ্য পুলিশের ডিজির পদ থেকে বীরেন্দ্রকে সরাতে পারে কমিশন। শুধু তাই নয়, ভোটের কোনওরকম দায়িত্ব যেন তাঁর হাতে না থাকে, তাও নিশ্চিত করা হতে পারে। রাজীবকুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্মতলায় যে ধরনা দিয়েছিলেন, সেখানে দেখা গিয়েছিল কলকাতা পুলিশের তখনকার কমিশনার রাজীবকুমারকে। তাকে ঠিক ভোটের আগেই সরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশনার করেন অনুজ শর্মাকে। কিন্তু মমতার ওই ধরনাতে উপস্থিত ছিলেন অনুজ শর্মাও। উপস্থিত ছিলেন বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার জ্ঞানবন্ত সিং। যাকে ভালো চোখে দেখেনি জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তাই, নিবাচনী আচরন বিধি লাঘু হবার সঙ্গে সঙ্গে জ্ঞানবন্ত সিং ও অনুজ শর্মাকে সরিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। অথচও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওই ধর্নায় হাজির ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্র। সেই ছবি দেখিয়ে কমিশনের কাছে তাঁর বিরুদ্ধে এরই মধ্যে অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, দক্ষিণবঙ্গেও পুলিশ মোতায়েন নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে কমিশন। কমিশনের তরফে নিযুক্ত বিশেষ কেন্দ্রীয় পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে শুক্রবার দুপুরে কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজেশ কুমারের সঙ্গে ফের বৈঠক করেন। এ নিয়ে কলকাতার পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দু’বার বৈঠক করলেন তিনি। তাৎপর্যপূর্ণ হল, রাজেশ কুমারের সঙ্গে বিবেক দুবের ঘন ঘন বৈঠক নিয়েও সন্দিহান তৃণমূল নেতৃত্ব। মুকুল রায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে রাজেশ কুমারকে অপ্রাসঙ্গিক প্রশাসনিক পদ দিয়ে কোণঠাসা করে রেখেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। তৃণমূলের আশঙ্কা শুধু কলকাতা নয়, রাজেশ কুমার হয়তো সামগ্রিক ভাবে পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গোপন খবর দিচ্ছেন কমিশনকে। কারণ, এরআগে রাজ্যের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডির অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল পদে ছিলেন রাজেশকুমার। তবে এরপরেও বিজেপি কমিশনের উপর ধারাবাহিক চাপ রেখে চলার কৌশল নিচ্ছে। শুক্রবারও রাজ্য বিজেপির তরফে একটি প্রতিনিধি দল কমিশনের দফতরে যায়। তাঁদের দাবি, বাংলায় যে ভাবেই হোক ভোট অবাধ ও সুষ্ঠু করতে হবে। সেজন্য সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে কমিশনকে। এই দাবিতে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের ঘরের মেঝেতে ধরনায় বসে পড়েন মুকুল রায়ের নেতৃত্বে বিজেপি প্রতিনিধি দল। হিন্দুস্থান সমাচার / হীরক/ সঞ্জয়
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image