Hindusthan Samachar
Banner 2 शुक्रवार, अप्रैल 19, 2019 | समय 06:12 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে দ্বিতীয় মেয়াদের মোদী সরকার সিএবি পাশ করাবেই : রঞ্জিত

By HindusthanSamachar | Publish Date: Apr 12 2019 10:26PM
শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিতে দ্বিতীয় মেয়াদের মোদী সরকার সিএবি পাশ করাবেই : রঞ্জিত
করিমগঞ্জ (অসম), ১২ এপ্রিল (হি.স.) : এবারের নির্বাচনের পর ফের কেন্দ্রে আসছে মোদী সরকার। মোদীর দ্বিতীয় মেয়াদের সরকার হিন্দু শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকের মর্যাদা দেবেই। ধর্মীয় নির্যাতনের বলি হয়ে ভারতে আশ্রিত জনতা কখনও বিদেশি হতে পারেন না। তাঁরা অখণ্ড ভারতবর্ষের লোক। লোকসভায় এই বিল পাশ হলেও রাজ্যসভায় কংগ্রেস-সহ অন্যান্য দলের প্রবল বিরোধিতার জন্য বিলটি আটকে যায়। এবার মোদী সরকার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হ‌ওয়ার পর বিলটি আবার সংসদে পেশ করা হবে। তখন পাশও হবে, দাবি করেছেন বিজেপির অসম প্রদেশ সভাপতি রঞ্জিতকুমার দাস। দক্ষিণ করিমগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের নগেন্দ্রনগরের রবীন্দ্রসদন হাইস্কুলের মাঠে আজ সকাল সাড়ে এগারোটায় শুরু হয় বিজেপি-র এক নির্বাচনি জনসভা। বিজেপি-র বারইগ্রাম-শনবিল মণ্ডল সভাপতি রথীরঞ্জন দাসের পৌরোহিত্যে সভাকার্য নির্ধারিত সময়ে শুরু হলেও প্রদেশ সভাপতির ভাষণ শুরু হয় বেলা প্রায় পৌনে দুটো নাগাদ। নির্বাচনি সমাবেশের প্রধান বক্তা প্রদেশ বিজেপি সভাপতি তথা বরপেটা জেলার অন্তর্গত সরভোগের বিধায়ক রঞ্জিত দাস পরিষ্কার বাংলা ভাষায় প্রদত্ত ভাষণে বলেন, প্রথম দফায় গতকাল অসমের যে পাঁচ আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে সেই পাঁচটি আসনেই বিজেপি প্রার্থীরা জয়ী হবেন, সেটা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। নরেন্দ্র মোদীর প্রথম মেয়াদের চলতি সরকারে বরাক উপত্যকা থেকে কোনও বিজেপি-সাংসদ না থাকায় নানাভাবে উন্নয়ন ব্যাহত হয়েছে। তার পর‌ও কেন্দ্রের বিজেপি সরকার থাকায় বরাক উপত্যকার রেলসড়ক-সহ অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন এসেছে। কেন্দ্রে ও রাজ্যেে বিজেপি সরকার থাকায় দেশে উন্নয়নের জোয়ার এসেছে। সুতরাং এই উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে হলে কৃপানাথ মালাহের মাধ্যমে বিজেপিকে উজাড় করে ভোট দিতে বলেন দাস। তিনি বলেন, দলীয় প্রার্থী কৃপানাথকে ভোট দেওয়া মানে নরেন্দ্র মোদীকে সরাসরি ভোট দেওয়া। কংগ্রেস আর এআইইউডিএফকে ভোট দেওয়া মানে চূড়ান্ত ভুল হবে, মন্তব্য করেন রঞ্জিত দাস। তিনি মনে করেন, দেশপ্রেম তথা ভারতীয় স্বাভিমান-সম্পন্ন কোনও ব্যক্তি, তিনি পুরুষ হোন কিংবা মহিলা, কংগ্রেস বা এআইইউডিএফকে ভোট দেবেন না। এবার নির্বাচনে কংগ্রেস আর ইউডিএফের গোপন আঁতাতের কথা ব্যাখ্যাও করেন তিনি। পরিবর্তনের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে রঞ্জিত বলেন, আগে রাজীব গান্ধী, মনমোহন সিঙের মতো দুর্বল প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রপ্রধানদের কাছে চিঠি লিখে অনুরোধ করতেন অনুমতি চেয়ে। আর আজ বিভিন্ন দেশের নেতারা মোদীকে তাঁদের দেশে সফর করার জন্য উলটো চিঠি পাঠিয়ে অনুরোধ করছে, আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। একেই বলে পরিবর্তন। আজ দেশ বিশ্বের দরবারে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও আজ বিশ্বের শক্তিধর রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে ভারত যা একমাত্র মোদীজির বলিষ্ট পদক্ষেপের জন্য সম্ভব হয়েছে। প্রসঙ্গক্রমে তিনি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বেশকিছু জনহিতকর কাজের দৃষ্টান্ত তুলে ধরে বলেন, এক গরিব নেতাই গরিবের কষ্ট উপলব্ধি করতে পারেন। মোদীজির বাবা চা বিক্রি করতেন। মোদীজির মা মানুষের বাড়ি বাড়ি কাজ করে সংসার চালাতেন। মোদীর আগে কোনও গরিব পরিবারের কেউ প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসার সুযোগ পাননি। তাই এ-রকম লোককে আরেকবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাইছেন দেশবাসী। এই মন্তব্য করে, তিনি "অব-কি বার মোদী সরকার" স্লোগান দিয়ে বক্তব্যে ইতি টানেন। সমাবেশে প্রদেশ বিজেপি-র উপ-সভাপতি বিকরিমগঞ্জেরশ্বরূপ ভট্টাচার্য বলেন, তিনি দক্ষিণ মানুষের কাছে চিরঋণী। ১৯৯৬ সালে এই কেন্দ্রে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। p মানুষ তাঁকে দু হাত উজার করে ভোট দিয়েছিলেন। তিনি নিজে ঋণ শোধ করতে পারেননি ঠিক, তবে তাঁর দলের সরকার মানুষের আমূল পরিবর্তন এনে দিয়েছে। তিনি তাঁর বক্তব্যে কংগ্রেসের তীব্র সমালোচনা করেন। প্রাক্তন বিধায়ক প্রণবকুমার নাথ বরাক উপত্যকার রেল ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে মোদী সরকারের উল্লেখযোগ্যক কিছু সাহসী পদক্ষেপের উদাহরণ দিয়ে বলেন, একমাত্র বিজেপিই পারে সাধারণ মানুষের আর্থ-সামাজিক বিকাশ ঘটাতে। তাই এই বিকাশের ধারা অব্যাহত রাখতে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান প্রণব নাথ। এদিকে আজ প্রদেশ সভাপতি রঞ্জিত দাসের সফর সঙ্গী হয়ে আসেন বাঙালি ফেডারেশনের প্রাক্তন প্রদেশ সভাপতি সুকুমার বিশ্বাস। তিনি প্রতিবেদকের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় বলেন, ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার বাঙালি মানুষ বরাক উপত্যকার মানুষের কাছে প্রেরণা পেয়েই বিজেপি করতে শিখেছে। বাঙালির স্বার্থ সুরক্ষা দিতে পারে একমাত্র বিজেপিই, মন্তব্য করেন তিনি। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন প্রদেশ সংখ্যালঘু মোর্চার সম্পাদক ইকবাল হুসেন, জেলা বিজেপি-র সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ দাস, দিলীপ শর্মাচৌধুরী, সুজিত দাস, মণ্ডল যুবমোর্চা সভাপতি রূপক দাস প্রমুখ। চৈত্রের প্রখর রোদ উপেক্ষা করে আজকের সভাস্থল ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। সভায় বিশাল সংখ্য ক মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। হিন্দুস্থান সমাচার / জন্মজিৎ / এসকেডি
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image