Hindusthan Samachar
Banner 2 शुक्रवार, अप्रैल 19, 2019 | समय 05:52 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

এআইইউডিএফ বিধায়করা কেবল হিন্দু-মুসলমানের রাজনীতি করেন : হিমন্তবিশ্ব

By HindusthanSamachar | Publish Date: Apr 13 2019 12:24AM
এআইইউডিএফ বিধায়করা কেবল হিন্দু-মুসলমানের রাজনীতি করেন : হিমন্তবিশ্ব
হাইলাকান্দি (অসম), ১২ এপ্রিল (হি.স.) : হাইলাকান্দি থেকে ভেঞ্চার এমএলএ-দের জয়ী করে দিশপুর পাঠিয়েছেন এখানকার জনগণ। হাইলাকান্দির এআইইউডিএফের বিধায়করা হচ্ছেন ভেঞ্চার স্কুলের মতো ভেঞ্চার বিধায়ক। এআইইউডিএফের বিধায়করা একটি প্রভিনশিয়েলাইজড এলাকাকে ভেঞ্চার নির্বাচন কেন্দ্র এলাকায় পরিণত করে দিয়েছেন। যার জ্বলন্ত উদাহরণ হাইলাকান্দির তিন বিধানসভা নির্বাচন এলাকা। এই তিন বিধায়কদের জন্য হাইলাকান্দির উন্নয়ন থমকে দাঁড়িয়েছে। লোকসভা ভোটের প্রাক্কালে শুক্রবার হাইলাকান্দিতে নির্বাচনি প্রচারে এসে এ ভাবে এআইইউডিএফকে আক্রমণ করেছেন রাজ্যের অর্থ-স্বাস্থ্য ও পূর্তমন্ত্রী তথা নেডা-র আহ্বায়ক ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা। এদিন হাইলাকান্দি শহরে পদযাত্রার পাশাপাশি লালার বিষ্ণুপুর বাইপাস ও হাইলাকান্দি শহরের খেলার মাঠে পৃথক পৃথক নির্বাচনি সভায় অংশ নিয়ে উন্নয়নের স্বার্থে করিমগঞ্জ আসনে বিজেপি প্রার্থী কৃপানাথ মালাহকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার পাশাপাশি নরেন্দ্র মোদীকে আবারও দেশের প্রধানমন্ত্রী করার ডাক দেন তিনি। আজ সন্ধ্যায় হাইলাকান্দি জেলা সদরে সহস্রাধিক বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে পদযাত্রায় নেমে সংবর্ধনায় ভাসেন হিমন্তবিশ্ব শর্মা। শহরের বিভিন্ন স্থানে পুরুষ-মহিলারা রাজপথে নেমে তাঁকে গামোছা, উত্তরীয়, ফুলের তোড়া দিয়ে সম্মান জানান। হিমন্তবিশ্বের রোড শো, পদযাত্রাকে ঘিরে এদিন জেলা সদরে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এর পর এক বিশাল নির্বাচনি সভায় অংশ নেন তিনি। এর আগে লালার বিষ্ণুপুর বাইপাস এলাকায় এক নির্বাচনি সভায়ও অংশ নেন তিনি। উদাত্ত ভাষণ দিতে গিয়ে মন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা বলেন, করিমগঞ্জের প্রতিটি জনসভায় যেভাবে জনসমর্থন দেখেছেন, এতে বিজেপি প্রার্থী কৃপানাথ মালাহের জয় নিশ্চিত। বলেন, নরেন্দ্র মোদীকে ফের প্রধানমন্ত্রী করতে করিমগঞ্জ আসন চাই। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাইলাকান্দির অনুন্নয়নের জন্য এআইইউডিএফ দলের তিন বিধায়ককে দায়ী করে তাঁদের সমালোচনায় মুখর হন। ড. শর্মা বলেন, এআইইউডিএফ বিধায়করা শুধু হিন্দু মুসলমানের মধ্যে বিভেদ তৈরি নিয়েই ব্যস্ত। উন্নয়নের জন্য কিছু করতে পারেন না। ওঁদের মন ছোট। কাটলিছড়া তথা হাইলাকান্দির উন্নয়নের ট্র্যাক থেকে আলাদা হয়ে রয়েছে। যার জন্য এই জেলা উন্নয়নে পিছিয়ে গেছে। দিল্লি আর অসমে চলছে বিজেপি সরকার, আর কেবল হাইলাকান্দিতে এআইইউডিএফের সরকার। তা-হলে উন্নয়ন কীভাবে হবে? তিনি উদাহরণস্বরূপ তুলে ধরে বলেন, দিল্লিতে বসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাজধানী ট্রেন চালাচ্ছেন। আর রাজ্যে সর্বানন্দ সনোয়াল সেই রাজধানী ট্রেনের পিছনে যোগ হয়ে এক ট্র্যাকে এসে যাওয়ায় রাজ্যে উন্নয়নের গতি ফুল স্পিডে চলছে। যদি কাটলিছড়া তথা হাইলাকান্দির উন্নয়ন ওই স্পিডে নিয়ে যেতে হয় তবে করিমগঞ্জ থেকে কৃপানাথ মালাহকে জয়ী করে ওই একি ট্র্যাকে জোড়া লাগিয়ে দিতে হবে। দেখবেন উন্নয়নের ট্রেন কীভাবে কাটলিছড়ায় দৌড়তে শুরু করে। কিন্ত যদি এআইইউডিএফ প্রার্থী রাধেশ্যাম বিশ্বাসকে জয়ী করানো হয় তবে উন্নয়নের ট্র্যাক থেকে তিনি আউট হয়ে যাবেন। বিগত পাঁচ বছর যেমন তিনি কিছু করতে পারেননি একইভাবে ভবিষ্যতেও পারবেন না। হিমন্তবিশ্ব শর্মা এদিন প্রত্যয়ের সুরে বলেন, পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদী। যেটা সুনিশ্চিত হয়ে রয়েছে। মোদী যখন ফের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেনই, তখন করিমগঞ্জ থেকে এআইইউডিএফকে ভোট দেওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। তিনি আরও বলেন, অনেকেই নাকি বলেন, বিজেপিকে প্রতিহত করতে এআইইউডিএফকে ভোট দেওয়া দরকার। এ-প্রসঙ্গে তিনি পাল্টা প্রশ্ন তুলে বলেন, বিজেপিকে কেন প্রতিহত করতে যাবেন মুসলমানেরা? বিজেপি কি কেবল হিন্দুদের জন্য কাজ করছে। মুসলমানদের জন্য করছে না? তিনি বলেন, মোদী সরকারের আমলে হিন্দু মুসুলমান সবার জন্য সমান তালে কাজ চলছে। জাতপাতের ঊর্ধ্বে ওঠে সব-কা সাথ সব-কা বিকাশ মন্ত্রে বিজেপি সবার জন্য সমউন্নয়নে কাজ করছে। এটা বুঝতে হবে সবাইকে। হাইলকান্দির বিজেপি জেলা সভাপতি সুব্রত নাথের পৌরোহিত্যে আয়োজিত সভায় বিজেপি সরকারের বিভিন্ন জনমুখি প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পর শিক্ষা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য, সব বিভাগে বিভিন্ন জনমুখি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে রাজ্যে চালু হচ্ছে এমন প্রকল্প সম্পর্কে নেডার চেয়ারম্যান জানান. এখন থেকে স্বামী মারা যাওয়ার এক মাসের মধ্যে মহিলাদের এককালীন ২৫ হাজার টাকা দেবে রাজ্য সরকার। এখন থেকে প্রত্যেক মেয়ের বিয়েতে এক ভরি সোনা দেবে রাজ্য সরকার। এই খাতে বছরে ৬০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। মহিলাদের পরিচালিত এসএইচজিকে এখন থেকে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত দেওয়া হবে। লোকসভা ভোটের পর থেকে প্রত্যেক রেশন দোকান থেকে থেকে ১৫ টাকা কিলোয় চিনি এবং ২৫ টাকা লিটার দরে কেরোসিন পাবেন রাজ্যের জনগণ। তার পর কোনও বাছাই পদ্ধতি ছাড়াই এবার থেকে ষাটোর্ধ্ব যে-কোনও ব্যক্তিকে বৃদ্ধ ভাতা দেওয়া হবে। এ-রকম অনেক প্রকল্পের কথা শুনিয়ে কৃপানাথ মালাহের হয়ে ভোট চান তিনি। সব শেষে হিমন্তবিশ্ব বলেন, যদি করিমগঞ্জ থেকে বিজেপি প্রার্থী জয়ী হন তা-হলে আগামী এক-দুই মাসের মধ্যে কৃপানাথ মালাহেকে নিয়ে কাটলিছড়ায় এসে সব ভাঙাচোরা রাস্তা এক বছরের মধ্যে সারাই করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন বিজেপির স্টার ক্যম্পেনার হিমন্তবিশ্ব শর্মা। হিন্দুস্থান সমাচার / তুতন / এসকেডি
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image