Hindusthan Samachar
Banner 2 शुक्रवार, अप्रैल 19, 2019 | समय 08:02 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

রাত পোহালেই বর্ষবরণ, কমে এসেছে জঙ্গি প্রতিবাদের ধার

By HindusthanSamachar | Publish Date: Apr 13 2019 7:36PM
রাত পোহালেই বর্ষবরণ, কমে এসেছে জঙ্গি প্রতিবাদের ধার
ঢাকা, ১৩ এপ্রিল (হি. স.) : রাত পোহালেই বর্ষবরণ (বাংলাদেশের বর্ষপঞ্জী অনুযায়ী)। পাকিস্তানি শাসকদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বাঙালি সংস্কৃতিসেবীরা ১৯৬৫ সালে রমনা বটমূলে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। সংস্কৃতির এই লড়াইয়ে যারা সেদিন নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তাঁরাই পরবর্তীকালে প্রতিষ্ঠা করেন ‘ছায়ানট’। পয়লা বৈশাখে রাজধানীর রমনা বটমূলে ''ছায়ানট’-এর বর্ষবরণ বাঙালির ঐতিহ্যে পরিণত হয়। কিন্তু জঙ্গিবাদী গোষ্ঠী এই অনুষ্ঠানকে অনৈসলামিক আখ্যায়িত করে প্রতিবাদ জানায় প্রতিবছরই। ২০০১ সালের পয়লা বৈশাখে রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলা চালিয়েছিল হরকাতুল জিহাদ। ওই বোমা হামলায় ১০ জন নিহত ও ৫০ জনের মতো আহত হন, যাদের মধ্যে অনেকে এখনও পঙ্গু জীবন যাপন করছেন। বর্তমানে অবশ্য জঙ্গি প্রতিবাদের ধার কমে এসেছে। তবে ওই বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বোমা হামলার ঘটনায় করা দুটি মামলা দেড় যুগেও নিষ্পত্তি হয়নি। হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলার মধ্যে হত্যা মামলাটির রায় নিম্ন আদালত থেকে ঘোষণা করা হলেও বিস্ফোরক আইনে মামলাটির নিষ্পত্তি হয়নি। হত্যা মামলার রায় চার বছর আগে হলেও এখনও হাইকোর্টে আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের ওপর শুনানি শেষ হয়নি। হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয় ২০১৪ সালের ২৩ জুন। রায়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত হরকাতুল জিহাদের (হুজি) শীর্ষ নেতা মুফতি আবদুল হান্নান, বিএনপি নেতা ও সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুর ভাই মাওলানা তাজউদ্দিনসহ ৮ জনের মৃত্যুদন্ড ও ৬ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামি নিষিদ্ধ ঘোষিত হরকাতুল জিহাদের (হুজি) অন্যতম নেতা মুফতি হান্নানের অন্য এক মামলায় মৃত্যুদন্ড কার্যকর হয়। অন্য মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তরা হলেন মৌলানা আকবর হোসেন, মুফতি আব্দুল হাই, হাফেজ জাহাঙ্গীর আলম বদর, মৌলানা আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, মুফতি শফিকুর রহমান ও মৌলানা আরিফ হাসান সুমন। যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, মৌলানা সাব্বির ওরফে আব্দুল হান্নান সাব্বির, হাফেজ মৌলানা ইয়াহিয়া, মৌলানা শওকত ওসমান ওরফে শেখ ফরিদ, মৌলানা আব্দুর রউফ ও শাহাদত উল্লাহ ওরফে জুয়েল। তবে এ মামলায় দন্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুর ভাই মাওলানা তাজউদ্দিনসহ চার আসামি এখনও পলাতক। জানা গেছে, বিস্ফোরক আইনে করা মামলাটি সাক্ষীর অভাবে ঝুলে আছে ট্রাইব্যুনালে। দেড়যুগ গত হলেও মামলাটি নিষ্পত্তির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ- সাক্ষীদের প্রতি জামিন অযোগ্য ধারায় ওয়ারেন্ট ইস্যু করার পরও সাক্ষীরা আদালতে হাজির হচ্ছে না। তবে মামলাটিতে ৮৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। বিস্ফোরক আইনে করা মামলায় ২০১৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন মামলার অন্যতম আসামি মুফতি হান্নানসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। সর্বশেষ গত বছরের ১৭ মে একজনের সাক্ষ্য গ্রহণ হয়। তারপর থেকে আর কোনও সাক্ষ্য গ্রহণ হয়নি। আগামি ২৫ এপ্রিল পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে। হিন্দুস্থান সমাচার/ বাসুদেব/ শ্রেয়সী/ সঞ্জয়
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image