Hindusthan Samachar
Banner 2 शनिवार, अप्रैल 20, 2019 | समय 18:35 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

মনে ভেসে ওঠে রঘুনাথগঞ্জের বাংলা নববর্ষ : বাসব চৌধুরী

By HindusthanSamachar | Publish Date: Apr 14 2019 11:15AM
মনে ভেসে ওঠে রঘুনাথগঞ্জের বাংলা নববর্ষ : বাসব চৌধুরী
কলকাতা, ১৪ এপ্রিল (হি স) : “ছেলেবেলায় বেড়ে উঠেছি মুর্শিদাবাদে প্রবাদের সেই দাদাঠাকুরের গ্রাম রঘুনাথগঞ্জে। চোখ বুঁজলেই মনে ভেসে ওঠে ওখানকার বাংলা নববর্ষের ছবিটা।“ ১ বৈশাখের অভিব্যক্তির প্রকাশ এ ভাবেই করলেন পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বাসব চৌধুরী। এই প্রতিবেদককে তিনি বলেন, ৫০ বছর আগে ওই গ্রামীন পরিবেশে নববর্ষের স্বাদটা ছিল অন্য রকম। এমনিতে স্কুলে ক্লাশ হত সকাল সাড়ে দশটা থেকে সাড়ে তিনটে। ২ বৈশাখ থেকে বদলে সেই ক্লাশ প্রভাতী হয়ে যেত। তাই প্রতি ১ বৈশাখ ভাবতাম, কাল থেকে তো রুটিনটা বদলে যাবে। কেবল পড়ার রুটিন নয়, খাওয়ার-ঘুমোনোর সবকিছুর। ছেলেবেলায় দেখা ১ বৈশাখের সন্ধ্যাও অমলিন হয়ে আছে আমার চোখে। বাবা পেশায় ছিলেন আইনজীবী। আমার কাছে তিনি ছিলেন দেবতুল্য। তাঁর হাত ধরে বা তাঁর কথায় যেতাম পাড়ায় চন্দ্রদের দোকান ও বাঁকু, রামকৃষ্ণ পাল, বামচাঁদের (বামাচন্দ্র পাল) দোকানে। ওঁদের কাকা, জ্যাঠা বলে সম্বোধন করতাম। পাঁচ টাকা করে দিয়ে আসতাম। লাল খেড়োর খাতায় ভক্তি-সহকারে লিখে রাখতেন। চন্দ্রদের বড় দোকান। বাবার কথায় ওখানে দিতাম ১০ টাকা। বিনিময়ে মিষ্টির প্যাকেট, ক্যালেন্ডার পেতাম। কিন্তু তার চেয়েও বড় ছিল দোকানদার, তাঁর স্ত্রী-কন্যার আন্তরিক চাহনি। মনে হত ওই একটা উপস্থিতি কত কাছে এনে দিল আমাদের। ১ বৈশাখ যেন এক সূত্রে গেঁথে দিল পরস্পরকে। শহুরে জীবনে এসে আস্তে আস্তে দেখেছি নববর্ষের রঙটা বদলে গিয়েছে। যত দিন গিয়েছে, পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত যেন আলগা হয়ে গিয়েছে। অনেক পরে রঘুনাথগঞ্জে গিয়ে মেলাতে পারিনি ছেলেবেলার সেই গ্রামকে। কোথায় গেল সেই খোলা আকাশ, উদার সবুজ, ফুলের গন্ধ, শাখাওয়াতের ফলের দোকান? ১ বৈশাখ মানে আজ আমার মনের কোনে তাই ভাসিয়ে তোলে স্মৃতির ধারাপাত। বিস্মরণের ধুলো সরালেই জেগে ওঠে রঘুনাথগঞ্জের নববর্ষ। হিন্দুস্থান সমাচার/ অশোক /সঞ্জয়
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image