Hindusthan Samachar
Banner 2 शनिवार, अप्रैल 20, 2019 | समय 17:50 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে লাংটিঙের কেএস থাওসেন সরস্বতী বিদ্যামন্দির ভস্ম

By HindusthanSamachar | Publish Date: Apr 14 2019 7:57PM
বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে লাংটিঙের কেএস থাওসেন সরস্বতী বিদ্যামন্দির ভস্ম
হাফলং (অসম), ১৪ এপ্রিল (হি.স.) : ডিমা হাসাও জেলায় সংঘটিত এক বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডে কেএস থাওসেন সরস্বতী বিদ্যামন্দির সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়ে গেছে। রবিবার সকাল প্রায় সাড়ে সাতটা নাগাদ মাইবাং মহকুমার অন্তর্গত লাংটিং-এ কেএস থাওসেন সরস্বতী বিদ্যামন্দিরে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সম্পূর্ণ পোড়ে ছাই হয়ে গেছে স্কুল। আগুনে স্কুলের সব আসবাবপত্র, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র-সহ ছাত্রছাত্রীদের বসার ডেস্ক-বেঞ্চ সব ছারখার হয়ে গেছে বলে জানা গিয়েছে। লাংটিং থানার পিছনে কেএস থাওসেন সরস্বতী বিদ্যামন্দিরে আগুন লাগার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা এবং পুলিশ অকুস্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। কিন্তু সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। মহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা গোটা স্কুলকে গ্রাস করে ফেলে। এই অবস্থায় লাংটিং-এ অগ্নিনির্বাপক কেন্দ্র বা দমকলের ইঞ্জিন না থাকায় খবর দেওয়া হয় মাইবাং ও লামডিঙে। লামডিং এবং মাইবাং থেকে অগ্নিনির্বাপক বাহিনী তাঁদের ইঞ্জিন নিয়ে পৌঁছার আগেই সম্পূর্ণ স্কুল ছাই হয়ে যায়। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ছুটে যান উত্তর কাছাড় পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদের সিইএম দেবোলাল গারলোসা, ইএম গলঞ্জ থাওসেনরা। স্থানীয় বাসিন্দা ও স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে কোনও দুষ্কৃতী দল জড়িত রয়েছে। কারণ এখনও তাঁদের স্কুলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নেই। তাই বিদ্যুতের শর্টসার্কিট হওয়ারও কোনও সম্ভাবনা নেই বলে জানান তাঁরা। এদিকে লাংটিং পুলিশেরও সন্দেহ, কোনও দুষ্কৃতকারী এই অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। স্কুল কর্তৃপক্ষ এই অগ্নিকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে লাংটিং থানায় একটি লিখিত এজাহার দাখিল করেছেন। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাঁদের স্কুলে মোট ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ১৫০। কিন্তু আগুনে সম্পূর্ণ স্কুল পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়ার দরুন এবার স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। তবে পার্বত্য পরিষদের সিইএম দেবোলাল গারলোসা বলেন, সাময়িকভাবে অন্য কোনও জায়গায় স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের পাঠদানের ব্যবস্থা করা হবে, যতক্ষণ পর্যন্ত নতুন স্কুলবাড়ি নির্মাণ না হয়। সিইএম স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, নতুন স্কুল নির্মাণ করতে পার্বত্য পরিষদ সবধরনের সাহায্য সহযোগিতা করবে। এদিকে লাংটিং কেএস থাওসেন সরস্বতী বিদ্যামন্দিরে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। হিন্দুস্থান সমাচার / নিরুপম / এসকেডি / কাকলি
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image