Hindusthan Samachar
Banner 2 शुक्रवार, अप्रैल 19, 2019 | समय 08:03 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

বাম প্রার্থীদের প্রচারে বাধা, প্রতিবাদে দুবরাজপুর থানায় অবস্থানে প্রার্থী

By HindusthanSamachar | Publish Date: Apr 14 2019 8:36PM
বাম প্রার্থীদের প্রচারে বাধা, প্রতিবাদে দুবরাজপুর থানায় অবস্থানে প্রার্থী
দুবরাজপুর, ১৪ এপ্রিল (হি. স.) : দিনভর জেলার নানা জায়গায় হয়েছে রামনবমীর মিছিল। কোথাও নেতৃত্ব দিয়েছে তৃণমূলের নেতারা তো কোথাও বিজেপি-র। কোনওরকম অসুবিধাতেও পড়তে হয় নি কাউকেই। এখনও পর্যন্ত প্রচারে গিয়ে বিন্দুমাত্র অসুবিধায় পড়তে হয়নি বিজেপি-র কোনও প্রার্থীকেই। কিন্তু বীরভূম জেলার দুই কেন্দ্রে দুই বামফ্রন্ট প্রার্থীকেই প্রবল বাধার মুখের পড়তে হল তৃণমূলী দুষ্কৃতিদের হাতে। গত ২৮ মার্চ যেমন বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের সিপিআই(এম) প্রার্থী রামচন্দ্র ডোমকে তৃণমূল বাধা দিয়েছিল জয়দেবের সাহাপুর গ্রামে তেমনই রবিবার প্রচারে গিয়ে দুবরাজপুরের বোধগ্রামে তৃণমূলী বাইক বাহিনীর বাধার মুখে পড়লেন বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রের সিপিআই(এম) প্রার্থী রেজাউল করিম। পুলিশ নেই। একঘন্টা পরে এলেও নিয়েছে ‘ঠুঁটো জগন্নাথে’র ভূমিকা। নির্বাচন কমিশনের নজরদারি গাড়ি প্রচারে সঙ্গে থাকলেও নীরব দর্শকের থেকে বেশি ভূমিকা নিতে পারে নি। প্রতিবাদে প্রচারে যাওয়া বামপ্রার্থী রেজাউল করিম কর্মী-সমর্থক নিয়ে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন দুবরাজপুর থানা ঘেরাও করে। প্রয়োজনীয় সমস্ত রকমের অনুমতি প্রশাসনের কাছ থেকে নিয়েই এদিন প্রচারে গিয়েছিলেন সিপিএম প্রার্থী। দুবরাজপুর বিধানসভার লোবা অঞ্চলের বিস্তির্ন এলাকায় প্রচার করা পর কর্মী সমর্থকরা ঢুকতে পদুমা পঞ্চায়েতের বোধগ্রামে। এই পদুমা পঞ্চায়েত দীর্ঘদিন ধরেই শাসক সন্ত্রাদে অবরুদ্ধ। তবুও কর্মীরা জেদ নিয়ে সেখানে প্রচারে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। বোধগ্রামে ঢোকার মুখেই তৃণমূলের বাইক বাহিনী ফ্ল্যাগ হাতে স্লোগান দিতে দিতে পথ আটকায়। বচসা বাধে সিপিএম কর্মীদের সাথে। এমসিসি-র গাড়ি ছিল প্রচারে সঙ্গে। তারা তৃণমূলীদরে সাথে কথা বললেও খুব একটা সুরাহা করতে পারে নি। তবে প্রয়োজনীয় অনুমিত নিয়ে সন্ত্রাস কবলিত একটি গ্রামে প্রচারে কর্মসূচী জানা থাকলেও পুলিশ ছিল না কোনও। বামফ্রন্ট নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল থেকেই পুলিশকে ফোন করলে প্রায় এক ঘন্টা পর পুলিশ আসে বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ, পুলিশ এসেও খুব একটা সদর্থক ভূমিকা নেয় নি। রাস্তার উপরই বসে পড়েন বামকর্মী সহ প্রার্থী। সিপিএম নেতা সাধন ঘোষ, শীতল বাউরীরা জানান, "গ্রামে ঢোকার মুখে তৃণমূলীদের দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে আমরা রাস্তাতেই বসে পড়ি। সেই সময় আশপাশের বহু গ্রাম থেকে বহু মানুষ আমাদের সাথে কথা বলে যান। বিরক্তি প্রকাশ করেন তৃণমূলীদের এমন আচরণের। অথচ পুলিশ আমাদের বোধগ্রামে প্রচারে ব্যবস্থা করতে পারে নি। আমরা ইচ্ছা করেই তৃণমূলীদের পায়ে পা লাগিয়ে ঝামেলা এড়িয়ে দুবরাজপুর থানায় এসে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হই।’’ দীর্ঘদিন ধরে থানা ঘেরাও করে চলে বিক্ষোভ। বিক্ষোভে পুরোভাগে সামিল ছিলেন সিপিএম প্রার্থী রেজাউল করিম। তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘''এখনই যদি এই অবস্থা হলে মানুষ তার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করবে কি করে। সমস্ত অনুমতি নিয়েই এদিন প্রচারে গিয়েছিলাম। অথচ তৃণমূলীরা আমাদের পথ আটকানোর খবর দেওয়া সত্বেও পুলিশের দেখা মেলে নি। এমসিসি-র নজরদারি দলও ছিল নির্বিকার। এক ঘন্টা বাদে পুলিশ আসলেও তৃণমুলীদের বিরুদ্ধে কোনও উচ্চবাচ্য করে নি। প্রতিবাদে থানায় অবস্থানে বসেছি। বিহিত না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান চলবে। আমাদের স্প্ষট দাবি মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগ সুনিশ্চিত করতে হবে এবং বোধগ্রাম সহ প্রত্যেকটি গ্রামে সুষ্ঠু প্রচারের পরিবেশ কায়েম করতে হবে।’’ দুবরাজপুর থানার ওসি-র দাবিগুলির প্রেক্ষিতে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহনের নিশ্চিত আশ্বাস দিলে বিকেলে অবস্থান তোলেন বামকর্মীরা। হিন্দুস্থান সমাচার/ হেমাভ/ শ্রেয়সী / কাকলি
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image