Hindusthan Samachar
Banner 2 शुक्रवार, अप्रैल 19, 2019 | समय 06:03 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

নির্দেশিকা পুর প্রশাসনের, ভাড়াটেদের অধিকার নিয়ে ক্ষুব্ধ গৃহমালিকদের সংগঠন

By HindusthanSamachar | Publish Date: Apr 15 2019 12:34PM
নির্দেশিকা পুর প্রশাসনের, ভাড়াটেদের অধিকার নিয়ে ক্ষুব্ধ গৃহমালিকদের সংগঠন
কলকাতা, ১৫ এপ্রিল (হি.স.): মেরামতির পরে নতুন বাড়িতে ভাড়াটিয়াদের থাকার অধিকার নিয়ে পুরসভার সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ গৃহমালিকদের সংগঠন। পুরসভার এই দৃষ্টিভঙ্গীর জন্য মালিকরা প্রায় কেউ জীর্ণ ও বিপজ্জনক বাড়ি সংস্কার করবেন না বলে মনে করেন অল ক্যালকাটা হাউস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুকুমার রক্ষিত। সংস্কারের জন্য কোনও বাড়ি বা তার অংশ খালি করার দরকার হলে অনেক সময়ে বিপজ্জনক বাড়ির ভাড়াটেদের মধ্যে সংশয় থাকে তাঁরা জায়গা পাবেন কি না। তাই বহু ক্ষেত্রেই বিপজ্জনক বাড়ি সারানোর ক্ষেত্রে ভাড়াটেদের একাংশ মত দিতে চান না। যে সমস্ত বিপজ্জনক বাড়িতে ভাড়াটে রয়েছেন, সেগুলি মেরামতির ক্ষেত্রে এটাই অন্যতম সমস্যা বলে জানাচ্ছেন কলকাতা পুর আধিকারিকদের একাংশ। এত দিন পুর প্রশাসনের তরফে ভাড়াটেপক্ষকে বোঝানো হত। এ বার বিপজ্জনক বাড়ি মেরামতির পরে সেখানে যাতে ভাড়াটেদের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে, সেই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করল পুর প্রশাসন। নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, বিপজ্জনক বাড়ি ভেঙে নতুন ভাবে তৈরির সময়ে যে নকশা পাশ করা হবে, তাতে ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল প্রেমিসেস টেন্যান্সি অ্যাক্ট’ অনুযায়ী ভাড়াটেদের স্বার্থ সুরক্ষিত থাকবে। কত জন ভাড়াটে আছেন, কোন তলে তাঁরা থাকেন, তাঁদের জায়গা কত— এমন সমস্ত তথ্য আগে সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিককে পুরসভায় জমা দিতে হবে। শুধু তাই নয়, পুরনো বাড়ি ভেঙে নতুন করে তৈরির ক্ষেত্রে যে তাঁদের কোনও আপত্তি নেই, সে কথাও প্রত্যেক ভাড়াটের থেকে লিখিত ভাবে জমা নিতে হবে সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিককে। নতুন নকশায় প্রত্যেক ভাড়াটের নাম ও তাঁর কতটা জায়গা থাকবে, উল্লেখ থাকবে তারও। এ ব্যাপারে সুকুমার রক্ষিত ‘হিন্দুস্থান সমাচার’-কে বলেন, “বৃহত্তর কলকাতায় বেশ কয়েক হাজার বাড়ি আছে যেখানে ভাড়াটিয়ারা মালিককে টাকা দেন না। দিলেও নামমাত্র ভাড়া দেন। সেক্ষেত্রো মালিকদের পক্ষে বাড়ির সংস্কার করা সম্ভব হয় না। পুরসভা এ রকম ক্ষেত্রে কী ভাবে ভাড়াটিয়ার দায় মালিকদের ওপর চাপিয়ে দিতে পারেন?” আপনারা কি বিষয়টি নিয়ে পুর-কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলবেন? প্রশ্নের উত্তরে সুকুমারবাবু বলেন, “আমরা নানা সময় পুরসভাকে এ ব্যাপারে চিঠি দিয়েছি। ওঁরা কোনও সময় আমাদের জবাব দেওয়ার ন্যূনতম সৌজন্যতা পর্যন্ত দেখান নি। তবে, ওঁরা চাইলে আমরা নিশ্চয়ই আলোচনা করব।"-হিন্দুস্থান সমাচার/ অশোক
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image