Hindusthan Samachar
Banner 2 शुक्रवार, अप्रैल 19, 2019 | समय 08:15 Hrs(IST) Sonali Sonali Sonali Singh Bisht

এসো হে বৈশাখ, জেলা জুড়ে বর্ষবরণের নানা অনুষ্ঠান পূর্ব মেদিনীপুরে

By HindusthanSamachar | Publish Date: Apr 15 2019 4:54PM
এসো হে বৈশাখ,  জেলা জুড়ে বর্ষবরণের নানা অনুষ্ঠান পূর্ব মেদিনীপুরে
তমলুক, ১৫ এপ্রিল (হি. স.) : নাচ, গান, আবৃত্তি ও মন্দিরে মন্দিরে পূজার্চনার মধ্য দিয়ে বাংলা বছরের প্রথমদিন পালিত হল জেলার বিভিন্ন প্রান্তে। জেলার নাম করা মন্দিরগুলিতে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে বর্ষবরণকে কেন্দ্র করে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিন তমলুকের বর্গভীমা মন্দির, মহিষাদলের গোপাল জিউয়ের মন্দির, নাচিন্দা মন্দিরে ও চন্দনেশ্বর মন্দিরে সকাল থেকে ব্যবসায়ী থেকে সাধারন মানুষের উপচে পড়া ভীড়। আজকের দিনে মূলত ব্যবসায়ীরা তাদের নতুন খাতা বা হালখাতার জন্য মন্দিরে পুজো দেওয়ার ভিড় জমান।১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০-১১ মার্চ সম্রাট আকবরের বাংলা সন প্রবর্তনের পর থেকেই ‘হালখাতা’র প্রচলন হয় তৎকালীন ভারতবর্ষে।পশ্চিমবঙ্গেও এ অনুষ্ঠানটি বেশ ঘটা করে পালন করা হয়। পুরনো বছরের হিসাব বন্ধ করে নতুন হিসাব খোলা হয় যে খাতায়, তা-ই ‘হালখাতা’ নামে পরিচিত। এদিন সকাল থেকে তমলুকের বর্গভীমা ও নাচিন্দার নাচিন্দা মন্দিরের পাশাপাশি মহিষাদলের গোপাল জিউ ও চন্দনেশ্বর মন্দিরে ভক্তদের ভীড়ছিল উপচে পড়ার মত। প্রতিদিন মন্দিরের গেট দেরিতে খোলা হলেও এদিন ভোর থেকে মন্দিরের গেট খুলে দেওয়া হয়। ভোর থেকে লম্বা লাইন পড়ে যায়। বেলা যতই বাড়তে থাকে লাইন ততই দীর্ঘ হয়ে যায়। মন্দিরে মন্দিরে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি এদিন বিভিন্ন ক্লাব প্রতিষ্ঠান তাদের মতো করে আজকের দিনটি পালন করে। মহিষাদল শিল্পকৃতির উদ্যোগে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকাল থেকে নাচ,গান, আবৃত্তি পাশাপাশি এলাকার দুঃস্থ মানুষের হাতে নতুন বছরের উপহার হিসাবে পোষাক বিতরণ করা হয়। প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক সুরজিত সিনহা জানান, ২৫ পেরে ২৬ পা দিয়েছে আমাদের প্রতিষ্ঠান। আজ থেকে ২৫ বছর আগে বর্ষবরণের অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়েই প্রতিষ্ঠানের পথচলা শুরু হয়। আর সেই থেকে প্রতিবছর এইদিনটি ঘটা করে পালন করা হয়। এলাকার সাংস্কৃতিক প্রেমি মানুষজনের উপস্থিতিতে বর্ষবরণের ঘরোয়া আড্ডার পাশাপাশি যেমন ভুরিভোজের ব্যবস্থা থাকে তেমনি এলাকার দুঃস্থ মানুষকে নতুন বছরের উপহার হিসাবে পোষাক বিতরণ করার ব্যবস্থা করা হয়। বর্ষবরণ উপলক্ষে মহিষাদলের রাজচক বিন্দাস ক্লাবের উদ্যোগে পথচলতি মানুষকে মিষ্টি মুখের পাশাপাশি গরমের ক্লান্তি দূর করার জন্য ঠান্ডা জলের ব্যবস্থা করা হয়। মহিষাদল - গেঁওখালী রাজ্য সড়কদিয়ে বাস, ট্রেকার, অটো, সাইকে, বাইক সহ পথচলতি সমস্ত মানুষের হাতে মিষ্টি ও জল তুলে দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানে অন্যতম সদস্য সুদীপ্ত দাস ও কিংকর সাহু জানন তাপমাত্রা বেড়েছে, পথচলতি মানুষ ভীষন সমস্যায় পড়ছেন। তাই নতুন বছরে পথচলতি মানুষের জন্য উপহার হিসাবে মিষ্টি ও জলের ব্যবস্থা করা হয়। প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের হাতে মিষ্টি ও জল তুলে দেওয়া হয়। হিন্দুস্থান সমাচার / প্রদীপ।
लोकप्रिय खबरें
फोटो और वीडियो गैलरी
image