পশ্চিমবঙ্গে স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নে সব রকম সাহায্য করবে কেন্দ্র : জেপি নাড্ডা
নয়াদিল্লি, ২৩ মে (হি.স.) : পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও উন্নত করতে কেন্দ্র সরকার সব ধরনের সাহায্য করবে বলে আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা। শনিবার রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং কেন্দ্র সরকারের প্রধান স্বাস্থ্য প্রকল্পগুল
জেপি নাড্ডা


নয়াদিল্লি, ২৩ মে (হি.স.) : পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও উন্নত করতে কেন্দ্র সরকার সব ধরনের সাহায্য করবে বলে আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা। শনিবার রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং কেন্দ্র সরকারের প্রধান স্বাস্থ্য প্রকল্পগুলির অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে একটি উচ্চপর্যায়ের ভার্চুয়াল বৈঠক করেন নাড্ডা। এই বৈঠকে বিভিন্ন প্রকল্পের রূপায়ণ নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও।

বৈঠকে জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন, প্রধানমন্ত্রী আয়ুষ্মান ভারত স্বাস্থ্য পরিকাঠামো মিশন এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রকল্পগুলির রাজ্যে কার্যকর রূপায়ণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো মজবুত করা, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নতি, টিকাকরণ অভিযান গতিশীল করা, যক্ষ্মা (টিবি) নির্মূলীকরণ এবং অসংক্রামক রোগগুলির সময়মতো পরীক্ষা ও চিকিৎসার মতো বিষয়গুলিতে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

এই পর্যালোচনা বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের জন্য জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের অধীনে পশ্চিমবঙ্গের জন্য মোট ৩,৫০৫.৫৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম কিস্তি বাবদ ৫২৭.৫৮ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই রাজ্যকে রিলিজ বা জারি করে দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি পিএম-এবিএইচআইএম এবং পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের অধীনে থাকা স্বাস্থ্য অনুদানের টাকা যাতে দ্রুত এবং সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়, তা নিশ্চিত করতে রাজ্য সরকারকে বলা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, মাতৃমৃত্যুর হার, শিশুমৃত্যুর হার এবং পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুর হারের মতো স্বাস্থ্য সূচকগুলিতে ধারাবাহিক উন্নতি বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে সীমান্ত এলাকাগুলিতে নজরদারি ব্যবস্থা আরও জোরদার করা এবং উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

এদিনের বৈঠকে আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা পশ্চিমবঙ্গে চালু করার জন্য মউ স্বাক্ষর বা চুক্তিপত্র নিয়েও আলোচনা হয়। কেন্দ্র ও রাজ্য— উভয় সরকারই সাধারণ মানুষের কাছে সাশ্রয়ী, সুলভ এবং গুণমানসম্পন্ন স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দিতে নিজেদের দায়বদ্ধতা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

এর পাশাপাশি “টিবি মুক্ত ভারত অভিযান”-কে আরও গতিশীল করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। জেপি নাড্ডা জানান, যক্ষ্মা নির্মূল করতে ব্যাপক স্তরে স্ক্রিনিং, রোগীদের নিয়মিত চিকিৎসা পর্যবেক্ষণ এবং জেলা স্তরে কঠোর নজরদারি চালানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে রাজ্যে দ্রুত এইচপিভি টিকাকরণ অভিযান শুরু করার জন্যও তিনি রাজ্য সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande