
কাঠমান্ডু, ২৩ মে (হি.স.) : সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে অভূতপূর্ব জনপ্রিয়তা নিয়ে ক্ষমতায় আসা নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ-এর সংসদীয় কার্যক্রমে ধারাবাহিক অনুপস্থিতি নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাজেট অধিবেশন শুরু হলেও তাঁর উপস্থিতি নিশ্চিত না হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রতিনিধি সভার স্পিকার ডি পি আর্যল-ও বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। অভিযোগ, বাজেট অধিবেশন শুরু হওয়ার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনে অনুপস্থিত ছিলেন এবং সরকারি নীতি ও কর্মসূচি সংক্রান্ত আলোচনায়ও তিনি অংশ নেননি।
আগামী ২৯ মে নেপালের বার্ষিক বাজেট পেশ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সেই সময় প্রধানমন্ত্রী সংসদে উপস্থিত থাকবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। তাঁর দফতর বা স্পিকারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনও ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
শনিবার প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়া উপদেষ্টা দীপা দাহাল জানিয়েছেন, বাজেট অধিবেশনে উপস্থিতি নিয়ে এখনও নির্দিষ্ট সময় ঠিক হয়নি। তিনি বলেন, সাধারণত বাজেট পেশের সময় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি প্রত্যাশিত হলেও তাঁর সময়সূচিতে সংসদে থাকার বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী সংসদে অনুপস্থিত থাকায় স্পিকারও সমালোচনার মুখে পড়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলেছেন, সংসদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে স্পিকার যথাযথ ভূমিকা নিচ্ছেন কি না।
সিংহদরবারে সংসদ ভবনের খুব কাছেই প্রধানমন্ত্রীর দফতর থাকা সত্ত্বেও কাজের চাপের অজুহাতে তিনি সংসদে অনুপস্থিত থাকছেন বলে সূত্রের দাবি। জানা যাচ্ছে, তিনি নিজ দফতর থেকেই সংসদের কার্যক্রম সরাসরি পর্যবেক্ষণ করছেন।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য