
শিবপুরী, ২৩ মে (হি.স.) : ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ ইস্যুতে কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় যোগাযোগ ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় উন্নয়ন মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া । তিনি বলেন, রাজনীতি সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ডে নয়, মানুষের মধ্যে থেকে কাজ করার মাধ্যমেই এগিয়ে চলে।
শনিবার মধ্যপ্রদেশের শিবপুরীতে বিজেপির ‘পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহাভিযান’-এ যোগ দিতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনায় এসেছে ঠিকই, কিন্তু বিজেপির মূল লক্ষ্য দেশের উন্নয়ন ও মানুষের সেবা। তাঁর দাবি, দেশের মানুষ সম্পূর্ণভাবে প্রধানমন্ত্রী -র পাশে রয়েছে এবং ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর স্বপ্ন পূরণে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিদিনই নতুন নতুন বিষয় ভাইরাল হয়। কিন্তু বাস্তব রাজনীতি মানুষের মধ্যে থেকে কাজ করার মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হয়।” পাশাপাশি বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দলের প্রতিটি কর্মী দেশের অগ্রগতির লক্ষ্যে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন এবং শেষ সারির মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়াই দলের প্রধান লক্ষ্য।
এদিন প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ‘অন্ত্যোদয়’-এর ভাবনা, সংগঠনের আদর্শ এবং ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর রূপরেখা নিয়েও আলোচনা করেন। তিনি বলেন, শেখার প্রক্রিয়া কখনও থেমে থাকা উচিত নয় এবং জনসেবার ক্ষেত্রে কর্মীদের আত্মনিবেদনই বিজেপির শক্তি।
অন্যদিকে, বিজেপির মধ্যপ্রদেশ রাজ্য সভাপতি -ও ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ড বা ফলোয়ারের সংখ্যা দিয়ে রাজনীতি চলে না। কোনও বিষয় কিছুদিনের জন্য ভাইরাল হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে টিকে থাকতে গেলে মানুষের মধ্যে কাজ করতেই হয়।
খণ্ডেলওয়াল বলেন, বিজেপি, কংগ্রেস বা অন্যান্য রাজনৈতিক দল বহু বছর ধরে নিজেদের আদর্শ ও সংগঠনের জোরে মানুষের মধ্যে কাজ করে এসেছে। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় কোনও নতুন প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলের তুলনা করা ঠিক নয়। তবে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’-র এক্স হ্যান্ডল বন্ধ হওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য