সংরক্ষণের সুবিধা প্রকৃত দরিদ্রদেরই পাওয়া উচিত, বললেন শান্তা কুমার
শিমলা, ২৩ মে (হি.স.) : সংরক্ষণ নীতির সুবিধা শুধুমাত্র প্রকৃত দরিদ্র ও প্রয়োজনমতো মানুষের কাছেই পৌঁছানো উচিত বলে মন্তব্য করলেন হিমাচল প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তা কুমার। শনিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সুপ্রিম কো
রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো পশু ও কুকুরের সমস্যা সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত পৌঁছনো উদ্বেগজনক : শান্তা কুমার


শিমলা, ২৩ মে (হি.স.) : সংরক্ষণ নীতির সুবিধা শুধুমাত্র প্রকৃত দরিদ্র ও প্রয়োজনমতো মানুষের কাছেই পৌঁছানো উচিত বলে মন্তব্য করলেন হিমাচল প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তা কুমার।

শনিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট সম্প্রতি আবারও স্পষ্ট করেছে যে, আর্থিক ও সামাজিকভাবে সচ্ছল পরিবারগুলিকে সংরক্ষণের সুবিধা দেওয়া উচিত নয়। তিনি কর্ণাটকের একটি মামলার উল্লেখ করে জানান, সেখানে বাবা-মা দু’জনই উচ্চ প্রশাসনিক পদে কর্মরত থাকা সত্ত্বেও তাঁদের সন্তান সংরক্ষণের সুবিধা পেয়েছিল। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছয় এবং আদালত জানায়, উচ্চপদস্থ ও আর্থিকভাবে স্বচ্ছল পরিবারের সন্তানদের সংরক্ষণের সুবিধা দেওয়া ঠিক নয়।

শান্তা কুমার বলেন, সুপ্রিম কোর্ট অতীতেও একাধিকবার ‘ক্রিমি লেয়ার’ বাদ দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, প্রভাবশালী ও সচ্ছল পরিবারগুলি বারবার সংরক্ষণের সুযোগ নিচ্ছে, অথচ বহু প্রকৃত দরিদ্র এখনও বঞ্চিত থেকে যাচ্ছেন।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, হিমাচল প্রদেশে নির্মাণ কাজে বিহার ও ঝাড়খণ্ড থেকে আসা বহু শ্রমিক অত্যন্ত কষ্টের মধ্যে জীবনযাপন করেন। পরিবার ছেড়ে তাঁরা অস্থায়ী ঝুপড়িতে থেকে দিনমজুরির কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

তাঁর মতে, স্বাধীনতার এত বছর পরও দেশের কোটি কোটি মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করছেন। সংরক্ষণ ও কল্যাণমূলক প্রকল্প দীর্ঘদিন ধরে চালু থাকলেও এখনও বহু মানুষ আর্থিকভাবে দুর্বল অবস্থায় রয়েছেন।

শান্তা কুমার আরও বলেন, ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির দেশে পরিণত হলেও অর্থনৈতিক বৈষম্য দ্রুত বাড়ছে। সেই কারণে ‘অন্ত্যোদয়’-এর ভাবনায় প্রকৃত দরিদ্রদের কাছে সংরক্ষণ ও সরকারি সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তিনি নতুন ব্যবস্থা গঠনের আবেদন জানিয়েছেন।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande