মির্জা-পলাশবাড়ি সড়কে মুখোমুখি দুই বাইক, হত পশ্চিমবঙ্গের এক বাসিন্দা সহ চার, আহত এক
গুয়াহাটি, ২৪ মে (হি.স.) : কামরূপ গ্রামীণ জেলার অন্তর্গত পলাশবাড়ি থানাধীন মির্জা-পলাশবাড়ি সড়কের বাজারপাড়া এলাকায় দুই মোটরবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চার যুবকের মৃত্যু হয়েছে। একই দুর্ঘটনায় গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন আরও একজন। আহতকে সংকটজনক অবস্থায় গৌহাটি
পলাশবাড়িতে মুখোমুখি দুই মোটরবাইক


গুয়াহাটি, ২৪ মে (হি.স.) : কামরূপ গ্রামীণ জেলার অন্তর্গত পলাশবাড়ি থানাধীন মির্জা-পলাশবাড়ি সড়কের বাজারপাড়া এলাকায় দুই মোটরবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চার যুবকের মৃত্যু হয়েছে। একই দুর্ঘটনায় গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন আরও একজন। আহতকে সংকটজনক অবস্থায় গৌহাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এনে ভরতি করা হয়েছে। তাঁর চিকিৎসা চলছে। নিহতদের মধ্যে একজন পশ্চিমবঙ্গের চন্দন জানা, অসমের মাজিরগাঁওয়ের জ্যোতি কলিতা, রাঙামাটির নিখিল দাস এবং নলবাড়ির অর্ণব বড়নাম বলে শনাক্ত করা হয়েছে। আহতকে দীপঙ্কর কলিতা বলে পরিচয় পাওয়া গেছে।

পুলিশ সূত্রের খবর, ঘটনা আজ ভোররাত প্রায় দুটা নাগাদ একটি ইয়ামাহা ওয়াইজেডএফ আর১৫ এবং একটি বাজাজ পালসার এন২৫০ নম্বরের মোটরবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে। দুই বাইকের আরোহী ছিলেন পাঁচজন। সংঘর্ষ এতটাই ভয়াবহ ছিল যে পাঁচ আরোহীই গুরুতর আহত হন। তাঁদের মধ্যে তিনজনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থলেই নিহত তিনজন পশ্চিমবঙ্গের চন্দন জানা, মাজিরগাঁওয়ের জ্যোতি কলিতা এবং রাঙামাটির নিখিল দাস। নলবাড়ির অর্ণব বড়নামকে গৌহাটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসার পর তাঁরও মৃত্যু হয়।

সূত্রটি জানিয়েছে, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পলাশবাড়ি থানার পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে। পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিক বলেন, ‘ঘটনাস্থলে আমরা পৌঁছে দুটি দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া মোটরবাইক এবং পাঁচজন আহত যুবককে দেখি। পাঁচজনকে পলাশবাড়ি কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। বাকি দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গৌহাটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাঁদের মধ্যে অর্ণব বড়নামের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।’

তিনি জানান, পঞ্চম আরোহী দীপঙ্কর কলিতার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। আরও জানান, অর্ণব বড়নাম এবং চন্দন জানা আর১৫ নম্বরের বাইকে ছিলেন, আর জ্যোতি কলিতা, নিখিল দাস এবং দীপঙ্কর কলিতা পালসার এন ২৫০-এ করে যাচ্ছিলেন।

এদিকে পরিবারের সদস্যরা জানান, পালসারের তিন আরোহী রাঙামাটিতে একটি বিহু অনুষ্ঠান থেকে বাড়ি ফিরছিল। সে সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। জ্যোতি কলিতার বয়স ছিল মাত্র ২২ বছর। তাঁর কাকা জানান, ভোররাতে প্রায় চারটা নাগাদ দুর্ঘটনার খবর পেয়েছিলেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande