জাতীয় সড়কের ৪১ মাইলে তিশ লক্ষ টাকার গাঁজা উদ্ধার, পাচারকারীরা পলাতক
তেলিয়ামুড়া (ত্রিপুরা), ২৪ মে (হি.স.) : নেশা বিরোধী অভিযানে ফের বড়সড় সাফল্য পেল খোয়াই জেলার মুঙ্গিয়াকামি থানার পুলিশ। রবিবার গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অসম-আগরতলা জাতীয় সড়কের ৪১ মাইল এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ শুকনো গাঁজা উদ্ধার কর
গাঁজা উদ্ধার করল পুলিশ


তেলিয়ামুড়া (ত্রিপুরা), ২৪ মে (হি.স.) : নেশা বিরোধী অভিযানে ফের বড়সড় সাফল্য পেল খোয়াই জেলার মুঙ্গিয়াকামি থানার পুলিশ। রবিবার গোপন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অসম-আগরতলা জাতীয় সড়কের ৪১ মাইল এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ শুকনো গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পুলিশ একটি বোলেরো গাড়ি আটক করে সেখান থেকে মোট ১০৫ কেজি শুকনো গাঁজা উদ্ধার করেছে। উদ্ধার হওয়া গাঁজার আনুমানিক কালোবাজারি মূল্য প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সকালে মুঙ্গিয়াকামি থানার ওসি রাজু বৈদ্যের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ৪১ মাইল এলাকায় জাতীয় সড়কে নাকা চেকিং শুরু করে। গোপন সূত্রে খবর ছিল, ওই পথ দিয়ে একটি গাড়িতে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা পাচার করা হতে পারে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছিল।

চেকিং চলাকালীন সন্দেহজনকভাবে আসা টিআর০৫কে১৭৯২ নম্বরের একটি বোলেরো গাড়িকে থামানোর চেষ্টা করে পুলিশ। পরে গাড়িটিতে তল্লাশি চালাতেই একের পর এক প্যাকেটে ভরা শুকনো গাঁজা উদ্ধার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, গাড়ির ভিতরে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল মাদকদ্রব্যগুলি, যাতে সহজে ধরা না পড়ে।

তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়ির চালক ও গাড়িতে থাকা অন্যান্য ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ফলে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। আটক বোলেরো গাড়িটিকে থানায় নিয়ে গিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, জাতীয় সড়ক ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরেই আন্তঃরাজ্য মাদক পাচার চক্র সক্রিয় রয়েছে। পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে একের পর এক গাঁজা উদ্ধার হলেও পাচারকারীদের গ্রেফতার না হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

এ বিষয়ে মুঙ্গিয়াকামি থানার ওসি রাজু বৈদ্য জানান, উদ্ধার হওয়া গাঁজার পরিমাণ প্রায় ১০৫ কেজি এবং এর কালোবাজারি মূল্য আনুমানিক ৩০ লক্ষ টাকার কাছাকাছি। পলাতক পাচারকারীদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। খুব শীঘ্রই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

পুলিশ জানিয়েছে, সম্প্রতি জাতীয় সড়ককে ব্যবহার করে মাদক পাচারের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই কারণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নিয়মিত নাকা চেকিং ও বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। তদন্তকারীদের অনুমান, এই ঘটনার সঙ্গে একটি বড় আন্তঃরাজ্য মাদক পাচার চক্র জড়িত থাকতে পারে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande