নবম-দশম শ্রেণিতে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত স্থগিতের দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিগ্বিজয় সিংয়ের
নয়াদিল্লি, ৭ জুন (হি.স.) : সিবিএসই-র নবম ও দশম শ্রেণিতে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত স্থগিতের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখেছেন কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং। তাঁর দাবি, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার
নবম-দশম শ্রেণিতে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত স্থগিতের দাবি, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিগ্বিজয় সিংয়ের


নয়াদিল্লি, ৭ জুন (হি.স.) : সিবিএসই-র নবম ও দশম শ্রেণিতে তৃতীয় ভাষা বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত স্থগিতের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখেছেন কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং। তাঁর দাবি, প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা সিবিএসই-র আগের সিদ্ধান্তের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

রবিবার কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ সামাজিক মাধ্যমে দিগ্বিজয় সিংয়ের চিঠি প্রকাশ করেন। সেখানে বলা হয়েছে, নবম ও দশম শ্রেণির পাঠ্যক্রমে তৃতীয় ভাষা অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত যথাযথ পরিকল্পনা ছাড়াই নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে দিগ্বিজয় সিং জানিয়েছেন, নবম শ্রেণির পড়ুয়াদের কয়েকজন অভিভাবক তাঁর কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়ে শিক্ষাবর্ষের মাঝপথে তিন-ভাষা নীতি চালুর বিরোধিতা করেছেন। তিনি অভিভাবকদের উদ্বেগকে যথার্থ বলে উল্লেখ করেছেন।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে সিবিএসই পরিচালন পর্ষদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল যে প্রয়োজনীয় গ্রেডভিত্তিক পাঠ্যপুস্তক প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত বর্তমান ভাষা ব্যবস্থা বহাল থাকবে। কিন্তু পরে গত ১৫ মে জারি হওয়া একটি বিজ্ঞপ্তিতে আগামী ১ জুলাই থেকে নবম শ্রেণিতে তৃতীয় ভাষা চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দিগ্বিজয় সিংয়ের দাবি, সংশ্লিষ্ট ভাষাগুলির পাঠ্যপুস্তক এখনও প্রকাশ করেনি এনসিইআরটি। ফলে বহু স্কুলের শিক্ষাদান ও পাঠ পরিকল্পনায় সমস্যা তৈরি হতে পারে।

তিনি দক্ষিণ ভারত এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পরিস্থিতির কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ওই সব অঞ্চলে হিন্দির ব্যবহার সীমিত। পাশাপাশি বহু স্থানীয় ও জনজাতীয় ভাষা এখনও সিবিএসই-র স্বীকৃত ভাষার তালিকায় নেই। অন্যদিকে সংস্কৃতকে তৃতীয় ভাষা হিসেবে বেছে নেওয়ার প্রবণতা বাড়লেও পর্যাপ্ত শিক্ষক ও পাঠ্যসামগ্রীর অভাব রয়েছে।

চিঠিতে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন, বর্তমান শিক্ষাবর্ষে নবম শ্রেণির ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর না করতে। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং আগামী ১৫ জুলাই শুনানির দিন ধার্য হয়েছে। অথচ স্কুলগুলিকে ১ জুলাই থেকেই নতুন ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দিগ্বিজয় সিংয়ের মতে, লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িত এই বিষয়ে তাড়াহুড়ো না করে সব দিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande