পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আপস নয়, শি জিনপিংয়ের সফরের আগে কড়া বার্তা উত্তর কোরিয়ার
সিওল, ৭ জুন (হি.স.) : চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের পিয়ংইয়ং সফরের আগে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নিজেদের অবস্থান আরও একবার স্পষ্ট করল উত্তর কোরিয়া। দেশটির শাসক কিম জং উনের বোন ও প্রভাবশালী নেত্রী কিম ইয়ো জং জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়ার পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র
পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আপস নয়, শি জিনপিংয়ের সফরের আগে কড়া বার্তা উত্তর কোরিয়ার


সিওল, ৭ জুন (হি.স.) : চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের পিয়ংইয়ং সফরের আগে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নিজেদের অবস্থান আরও একবার স্পষ্ট করল উত্তর কোরিয়া। দেশটির শাসক কিম জং উনের বোন ও প্রভাবশালী নেত্রী কিম ইয়ো জং জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়ার পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রের মর্যাদা কোনও আলোচনার বিষয় নয় এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এই কর্মসূচি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সেদেশের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কিম ইয়ো জং বলেন, উত্তর কোরিয়ার পরমাণু সক্ষমতা দেশের নিরাপত্তা নীতির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। বাইরের কোনও চাপ বা আন্তর্জাতিক মহলের আহ্বানে পিয়ংইয়ং এই কর্মসূচি থেকে সরে আসবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করে দেন।

আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের উত্তর কোরিয়া সফরের কথা রয়েছে। দীর্ঘদিন পর এই উচ্চপর্যায়ের সফরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে কূটনৈতিক গুরুত্ব তৈরি হয়েছে। বেজিং বরাবরই উত্তর কোরিয়ার অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগী হিসেবে পরিচিত।

কিম ইয়ো জং যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সেই অবস্থানেরও সমালোচনা করেন, যেখানে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু নিরস্ত্রীকরণকে এখনও আন্তর্জাতিক লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই ধরনের বক্তব্য কোরীয় উপদ্বীপের বর্তমান বাস্তব পরিস্থিতিকে উপেক্ষা করছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের নিরাপত্তা ও বাহ্যিক হুমকি মোকাবিলায় উত্তর কোরিয়া তার পরমাণু প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং সামরিক শক্তি আরও জোরদার করবে। পরমাণু কর্মসূচিকে জাতীয় প্রতিরক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও কূটনৈতিক চাপ সত্ত্বেও উত্তর কোরিয়া গত কয়েক বছরে ধারাবাহিকভাবে পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সম্প্রসারণ করেছে। দেশটির নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রের মর্যাদাকে আইনি স্বীকৃতি দিয়েছে এবং সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের সম্ভাবনাও কার্যত নাকচ করেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তর কোরিয়ার এই অবস্থান ভবিষ্যতে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ সংক্রান্ত কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে। একই সঙ্গে পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিতেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande