ফেসবুক পোস্টে তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নের ঘোষণা জেলা পরিষদ সদস্য রুনা খাতুনের
হুগলি, ৭ জুন (হি.স.) : সামাজিক মাধ্যমের একটি পোস্টের মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা করলেন হুগলি জেলা পরিষদের সদস্য রুনা খাতুন। রবিবার তাঁর এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বলাগড়ের যুব নেত্রী রুনা
বিতর্কিত তৃণমূল নেত্রী রুনা খাতুন


হুগলি, ৭ জুন (হি.স.) : সামাজিক মাধ্যমের একটি পোস্টের মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা করলেন হুগলি জেলা পরিষদের সদস্য রুনা খাতুন। রবিবার তাঁর এই ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

বলাগড়ের যুব নেত্রী রুনা খাতুন গত কয়েক মাস আগে বলাগড়ের বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী-র সঙ্গে মতবিরোধের ঘটনায় আলোচনায় এসেছিলেন। সেই সময় উভয় পক্ষের প্রকাশ্য মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দলের শীর্ষ নেতৃত্বকেও হস্তক্ষেপ করতে হয়েছিল।

রুনা খাতুন টানা তিনবার হুগলি জেলা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে এসে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেছেন। একসময় তিনি যুব সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদেও ছিলেন। রাজনৈতিক মহলে তাঁকে দলের সম্ভাবনাময় নেত্রী হিসেবেই দেখা হত।

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদলের পর দলের একাধিক নেতা ও জনপ্রতিনিধি বিভিন্ন পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। সেই প্রেক্ষাপটে রুনা খাতুনের এই সিদ্ধান্ত বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

রবিবার তিনি বলেন, “মানুষের রায়কে সম্মান জানাতেই হবে। সরকার পরিবর্তন হয়েছে, নতুন সরকারকে কাজ করার সুযোগ দেওয়া উচিত। উন্নয়ন হোক, মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হোক।”

তিনি আরও বলেন, “মানুষের জন্য কাজ করতে গেলে রাজনীতি করতেই হবে এমন নয়। রাজনীতি মানুষের কাছে পৌঁছানোর একটি মাধ্যম হতে পারে, তবে সেটাই একমাত্র পথ নয়। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে আমার সমস্ত সম্পর্ক আজ থেকে ছিন্ন করলাম। আগামী দিনে কী করব, তা এখনও ঠিক করিনি। পথই পথ দেখাবে।”

রুনা খাতুনের এই ঘোষণার পর হুগলির রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও ভবিষ্যতে তিনি কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানাননি।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande