রবীন্দ্র-নজরুল জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে এআইডিএসও-র বসে আঁকো প্রতিযোগিতা, উচ্ছ্বাসে মাতল খুদে শিল্পীরা
আগরতলা, ৭ জুন (হি.স.) : বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে রবিবার আগরতলায় বসে আঁকো প্রতিযোগিতার আয়োজন করল অল ইন্ডিয়া ডেমোক্রেটিক স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন (এআইডিএসও)। আগরতলায় প্রগতি বিদ্যাভবন প্রাঙ্গ
বসে আঁকো প্রতিযোগিতা


আগরতলা, ৭ জুন (হি.স.) : বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে রবিবার আগরতলায় বসে আঁকো প্রতিযোগিতার আয়োজন করল অল ইন্ডিয়া ডেমোক্রেটিক স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন (এআইডিএসও)। আগরতলায় প্রগতি বিদ্যাভবন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বয়সের বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে।

বয়সভিত্তিক একাধিক বিভাগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাঁদের কল্পনা, সৃজনশীলতা এবং শিল্প প্রতিভার প্রকাশ ঘটায় রঙ-তুলির মাধ্যমে। সকাল থেকেই প্রতিযোগিতা কেন্দ্রকে ঘিরে ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক এবং সংগঠনের কর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়। খুদে শিল্পীদের আঁকা ছবিতে প্রকৃতি, মানবতা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, দেশপ্রেম এবং সামাজিক মূল্যবোধের নানা দিক ফুটে ওঠে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের অসাম্প্রদায়িক, মানবতাবাদী এবং প্রগতিশীল চিন্তাধারা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে গত ৯ মে থেকে এক মাসব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় বসে আঁকো প্রতিযোগিতার পাশাপাশি বিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইনে প্রবন্ধ প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়েছে।

এআইডিএসও-র রাজ্য সম্পাদক রাজু আচার্জী বলেন, “রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল শুধু বাংলা সাহিত্য নয়, মানবিক মূল্যবোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিরও উজ্জ্বল প্রতীক। তাঁদের আদর্শ ও চিন্তাভাবনা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, আগামী ১৪ জুন আগরতলায় সুকান্ত একাডেমিতে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এক মাসব্যাপী কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটবে। ওই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হবে।

বসে আঁকো প্রতিযোগিতাকে ঘিরে এদিন প্রতিযোগী ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। অনেক অভিভাবকও এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এর মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের সৃজনশীল বিকাশের পাশাপাশি সমাজ ও সংস্কৃতি সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা গড়ে ওঠে। আয়োজকদের মতে, আগামী দিনেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক চেতনা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা গড়ে তুলতে এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande