“পুনর্বাসন দরকার, উচ্ছেদ করতেই হবে”, হকার নিয়ে অকপট তথাগত
কলকাতা, ৮ জুন (হি স)। “উচ্ছেদ করতেই হবে। রাস্তাঘাট মানুষ চলাচলের উপযুক্ত করতেই হবে। পথচারী ছাড়া, চৌরঙ্গীর ফুটপাথের দিকে একবার তাকালেই এ রাজ্যে কোন বিনিয়োগকারী আসতে চাইবেন না। সেই সঙ্গে পুনর্বাসনও করতে হবে।” সোমবার এক্সবার্তায় এই মন্তব্য করলেন প্র
তথাগত রায়


কলকাতা, ৮ জুন (হি স)। “উচ্ছেদ করতেই হবে। রাস্তাঘাট মানুষ চলাচলের উপযুক্ত করতেই হবে। পথচারী ছাড়া, চৌরঙ্গীর ফুটপাথের দিকে একবার তাকালেই এ রাজ্যে কোন বিনিয়োগকারী আসতে চাইবেন না। সেই সঙ্গে পুনর্বাসনও করতে হবে।” সোমবার এক্সবার্তায় এই মন্তব্য করলেন প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়।

এক্সবার্তায় তিনি সোমবার লিখেছেন, “হকার উচ্ছেদ করা কতটা নৈতিক তা নিরূপণ করা সহজ নয়। ‘ওঁরা খাবেন কি', এই প্রশ্ন যেমনি আছে তেমনি প্রশ্ন আছে, তাহলে ওঁরা কি হকারীর তেলেভাজা রান্নার জন্য আপনার রান্নাঘরে ঢুকে পড়তে পারেন? হকারদের যেমনি বেঁচে থাকার অধিকার আছে তেমনি পথচারীদের কি স্বচ্ছন্দে চলাফেরা করার অধিকার নেই?

কলকাতার ফুটপাথে হকার বসান ব্যাপারটা আমার চোখের সামনে ঘটেছে। এটা আরম্ভ হয়েছিল ১৯৭২ সালে, এবং এর খলনায়ক ছিলেন কংগ্রেসী মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তারপর বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত বিহারী মুসলমানদের (যারা মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল) চৌরঙ্গীর ফুটপাথে বসিয়ে দেয় কলিমুদ্দিন শামস। তারপর তো বাঁধন খুলে গেল। এই হকার বসানো থেকে যে প্রচুর অর্থাগম হয়েছে তা বলাই বাহুল্য।

শুধু পুনর্বাসন কোনো সমাধান নয়। অতীতে দেখা গেছে, পুনর্বাসনের জায়গাটা বিক্রি করে আবার পুরোনো জায়গায় ফিরে এসেছেন হকার।”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande