মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে কেরলম উপকূলে ৫২ দিনের ট্রলিং নিষেধাজ্ঞা জারি
তিরুবনন্তপুরম, ৯ জুন(হি.স.): বর্ষাকালে সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে কেরলম উপকূলে শুরু হচ্ছে ৫২ দিনের বার্ষিক ট্রলিং নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত বলবৎ থাকবে এই নিষেধাজ্ঞা। রাজ্য সরকারে
মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে কেরলম উপকূলে ৫২ দিনের ট্রলিং নিষেধাজ্ঞা জারি


তিরুবনন্তপুরম, ৯ জুন(হি.স.): বর্ষাকালে সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণের লক্ষ্যে মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে কেরলম উপকূলে শুরু হচ্ছে ৫২ দিনের বার্ষিক ট্রলিং নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত বলবৎ থাকবে এই নিষেধাজ্ঞা।

রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, মধ্যরাত থেকে সমুদ্রে ট্রলার নামানোর উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে। নিষিদ্ধ করা হয়েছে ‘পেয়ার ট্রলিং’-ও। রাজ্যের মৎস্যবন্দরগুলিতে ডিজেল সরবরাহ কেন্দ্র বন্ধ রাখা হবে এবং অন্য রাজ্যের মাছধরা নৌকাগুলিকেও কেরলম উপকূলে মাছ ধরার অনুমতি দেওয়া হবে না। মৎস্য দফতরের দাবি, বর্ষা সামুদ্রিক মাছের প্রজননের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ে বৃহৎ পরিসরে মাছ ধরা বন্ধ থাকলে মাছের সংখ্যা স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং সামুদ্রিক পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকে। সেই লক্ষ্যেই প্রতিবছর এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

ছোট নৌকায় মাছ ধরা প্রথাগত মৎস্যজীবীরা নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে সমুদ্রে যেতে পারবেন।ইঞ্জিনবিহীন ছোট নৌকায় মাছ ধরার উপর কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকছে না। উপকূল থেকে ১২ নটিক্যাল মাইলের মধ্যে নির্ধারিত নিয়ম মেনে মাছ ধরার অনুমতি থাকবে। নিষেধাজ্ঞা ভাঙলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে প্রশাসন। মৎস্য দফতর, উপকূল পুলিশ এবং উপকূলরক্ষী বাহিনী মিলিতভাবে নজরদারি চালাবে। কেরলমের মৎস্য অর্থনীতির সঙ্গে এই নিষেধাজ্ঞা দীর্ঘদিন ধরেই জড়িত। বিশেষজ্ঞদের মতে, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মাছের ভাণ্ডার সুরক্ষিত রাখতে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande