এআই দৌড়ে বড় বিনিয়োগ ব্রিটেনের, ২০৩০ সালের মধ্যে তৈরি হবে জাতীয় সুপারকম্পিউটার
লন্ডন, ৯ জুন (হি.স.) : কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বিশ্ব প্রতিযোগিতায় নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে ২০৩০ সালের মধ্যে একটি অত্যাধুনিক জাতীয় সুপারকম্পিউটার তৈরির পরিকল্পনা ঘোষণা করল ব্রিটেন। প্রকল্পটির জন্য প্রায় ৭৫ কোটি পাউন্ড বা এক বিলিয়ন ড
এআই দৌড়ে বড় বিনিয়োগ ব্রিটেনের, ২০৩০ সালের মধ্যে তৈরি হবে জাতীয় সুপারকম্পিউটার


লন্ডন, ৯ জুন (হি.স.) : কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) বিশ্ব প্রতিযোগিতায় নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে ২০৩০ সালের মধ্যে একটি অত্যাধুনিক জাতীয় সুপারকম্পিউটার তৈরির পরিকল্পনা ঘোষণা করল ব্রিটেন। প্রকল্পটির জন্য প্রায় ৭৫ কোটি পাউন্ড বা এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হবে বলে সোমবার জানিয়েছে দেশটির সরকার।

ব্রিটেনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের মতে, নতুন এই সুপারকম্পিউটার চালু হলে তা বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী এআই কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হবে। উন্নতমানের প্রসেসর, পরবর্তী প্রজন্মের চিপ এবং ব্রিটিশ প্রযুক্তিতে তৈরি বিশেষ কম্পিউটিং পরিকাঠামোর মাধ্যমে এটি জটিল গবেষণা ও তথ্য বিশ্লেষণের কাজ করবে। স্কটল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অফ এডিনবরা-এ স্থাপিত হবে এই প্রকল্প। শীঘ্রই নির্মাণ ও প্রযুক্তিগত অংশীদার নির্বাচনের জন্য দরপত্র ডাকা হবে বলে জানিয়েছে সরকার।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন সুপার কম্পিউটারটি দেশের বিদ্যমান এআই গবেষণা পরিকাঠামো—‘আইজামবার্ড-এআই’, ‘জেনিথ’ এবং ‘ডন’-এর সঙ্গে যুক্ত হবে। এর ফলে গবেষক, প্রযুক্তি সংস্থা, স্টার্ট-আপ এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলি আরও বেশি কম্পিউটিং ক্ষমতা ব্যবহার করে নতুন এআই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের সুযোগ পাবে।

আরও জানা গেছে , ভবিষ্যতের অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এআই একটি নির্ধারক ভূমিকা নিতে চলেছে। সেই কারণেই কেবল সফটওয়্যার নয়, এআই চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার ও কম্পিউটিং পরিকাঠামো গড়ে তোলার ওপরও জোর দিচ্ছে ব্রিটেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও চিনের সঙ্গে প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে এই বিনিয়োগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আগামী দশকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষমতা অনেকাংশেই নির্ভর করবে কোন দেশের হাতে কতটা উন্নত কম্পিউটিং শক্তি রয়েছে, ব্রিটেনের এই উদ্যোগ সেই বাস্তবতারই প্রতিফলন।

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande