১৫ দিনে হেমকুণ্ড সাহিবে ৬৫ হাজারেরও বেশি পুণ্যার্থীর সমাগম
জ্যোতির্মঠ, ৯ জুন (হি.স.) : উত্তরাখণ্ডের তুষারাবৃত পর্বতশ্রেণির কোলে অবস্থিত শিখ সম্প্রদায়ের অন্যতম পবিত্র তীর্থক্ষেত্র শ্রী হেমকুণ্ড সাহিবে এ বছরের যাত্রা শুরু হওয়ার মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই ৬৫ হাজার ৮৪০ জনেরও বেশি ভক্ত দর্শন ও প্রার্থনা সেরেছেন। গত
১৫ দিনে হেমকুণ্ড সাহিবে ৬৫ হাজারেরও বেশি পুণ্যার্থীর সমাগম


জ্যোতির্মঠ, ৯ জুন (হি.স.) : উত্তরাখণ্ডের তুষারাবৃত পর্বতশ্রেণির কোলে অবস্থিত শিখ সম্প্রদায়ের অন্যতম পবিত্র তীর্থক্ষেত্র শ্রী হেমকুণ্ড সাহিবে এ বছরের যাত্রা শুরু হওয়ার মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই ৬৫ হাজার ৮৪০ জনেরও বেশি ভক্ত দর্শন ও প্রার্থনা সেরেছেন। গত ২৩ মে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হওয়ার পর থেকে প্রতিদিনই বিপুল সংখ্যক পুণ্যার্থীর সমাগম ঘটছে এই উচ্চভূমির তীর্থস্থানে।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৫ হাজার ফুটেরও বেশি উচ্চতায় অবস্থিত হেমকুণ্ড সাহিব শিখ ধর্মাবলম্বীদের কাছে গভীর আস্থার কেন্দ্র। দুর্গম পাহাড়ি পথ, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং উচ্চতার চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও দেশ-বিদেশ থেকে ভক্তরা নিয়মিতভাবে এখানে পৌঁছচ্ছেন।

জেলা প্রশাসনের দাবি, পুলিশ, এসডিআরএফ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সমন্বিত প্রচেষ্টায় এবারের যাত্রা এখনও পর্যন্ত সুশৃঙ্খল ও নিরাপদভাবে পরিচালিত হচ্ছে। পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে যাত্রাপথে পানীয় জল, বিদ্যুৎ, চিকিৎসা, আবাসন এবং পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।

যাত্রীদের যানবাহন রাখার জন্য গোবিন্দঘাটে ১৫০টি বাস, ৭৪৭টি চারচাকা এবং ৫৪৫টি দু’চাকার যানবাহনের পার্কিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সহযোগিতায় পুলনা এলাকায় আরও ১৫০টি দু’চাকার যানবাহনের জন্য অতিরিক্ত পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

গোবিন্দঘাট থেকে পুলনা পর্যন্ত পুণ্যার্থীদের যাতায়াত সহজ করতে ৬০টি স্থানীয় যানবাহন শাটল পরিষেবা হিসেবে চালানো হচ্ছে। রোটেশন পদ্ধতিতে এই পরিষেবা পরিচালিত হচ্ছে বলে মঙ্গলবার প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

নিরাপত্তার স্বার্থে যাত্রাপথে পুলিশ ও এসডিআরএফের বিশেষ নজরদারি চালু রয়েছে। পাহাড়ি পথজুড়ে নিয়মিত টহল ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পুণ্যার্থীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

শ্রী হেমকুণ্ড সাহিব ম্যানেজমেন্ট ট্রাস্টের প্রধান ব্যবস্থাপক সর্দার সেবা সিং যাত্রা পরিচালনায় যুক্ত প্রশাসন, পুলিশ ও বিভিন্ন সরকারি দফতরের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। এদিন তিনি আশা প্রকাশ করেন, পুরো যাত্রা মরসুম জুড়েই এই সমন্বয় বজায় থাকবে। পাশাপাশি পুণ্যার্থীদের ধর্মীয় মর্যাদা, শৃঙ্খলা ও পবিত্রতা বজায় রেখে যাত্রায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande