Custom Heading

ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনে আমরাও সামিল হচ্ছি, শুভেচ্ছা বার্তা হোয়াইট হাউসের
ওয়াশিংটন, ২৬ জানুয়ারি (হি. স.) : ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনে আমরাও সামিল হচ্ছি। বুধবার ৭৩ তম প্
ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনে আমরাও সামিল হচ্ছি, শুভেচ্ছা বার্তা হোয়াইট হাউসের


ওয়াশিংটন, ২৬ জানুয়ারি (হি. স.) : ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনে আমরাও সামিল হচ্ছি। বুধবার ৭৩ তম প্রজাতন্ত্র দিবসে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠাল হোয়াইট হাউস । ভারত ও আমেরিকার সম্পর্কের মূলে রয়েছে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের আদর্শকে তুলে ধরার দায়িত্ব, এমন বার্তাই দেওয়া হয় মার্কিন প্রেসিডেন্টের তরফে।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র, ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনে আমরাও সামিল হচ্ছি। এই দিনটি ভারতের সংবিধান তৈরি ও গ্রহণকেই চিহ্নিত করে।” হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি আরও বলেন, “গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখন হোয়াইট হাউসে এসেছিলেন, তখন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছিলেন যে আগামিদিনে ভারত ও আমেরিকার সম্পর্ক আরও শক্তিশালী, কাছাকাছি ও মজবুত হবে এবং এতে গোটা বিশ্বই উপকৃত হবে।” ভারত ও আমেরিকার মজবুত সম্পর্কের ভিত্তি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমাদের এই সহযোগিতা ও মজবুত সম্পর্কের ভিত্তি মূলে রয়েছে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের আদর্শকে তুলে ধরার অংশিদারী দায়িত্ব।” এদিন মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া ব্যুরোর তরফেও টুইট করে বলা হয়, “ভারতকে ৭৩ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা। যখন লক্ষাধিক ভারতীয় তাদের সংবিধানকে উদযাপন করছেন, আমরাও ভারত-আমেরিকার কূটনৈতিক সম্পর্কে গণতন্ত্রের মূল্যবোধ ও শক্তির কথাই মনে করছি।”

মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য এরিক সালওয়েলও ভারত ও ভারতীয়-আমেরিকানদের প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, “ভারত ও আমেরিকা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহত্তম গণতন্ত্রকেই তুলে ধরে। আমাদের অংশিদারিত্বের সম্পর্ক গণতন্ত্র, আইন ব্যবস্থা, মানবতা, সমাজসেবা ও মানবাধিকারের উপর ভিত্তি করেই তৈরি হয়েছে, যা কেবল দুই দেশেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং গোটা বিশ্বেই যাতে এই বিষয়গুলি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়। এই কারণগুলিই আমাদের সম্পর্ককে বিশেষ করে তুলেছে।” এদিন আমেরিকায় বসবাসকারী ভারতীয়রাও প্রজাতন্ত্র দিবস পালনের জন্য বিশেষ আয়োজন করেছেন। হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি


 rajesh pande