
মুম্বই, ১১ নভেম্বর (হি.স.): ঘড়ির কাঁটায় তিনটে বেজে ৩৮ মিনিট। মধ্যরাতে ৮৯ বছর বয়সী অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর শারীরিক অবস্থাকে ঘিরে নানা জল্পনা ছড়ানোর মাঝে রটে যায় তিনি নাকি প্রয়াত।
সকলে যখন ঘুমের দেশে তখন সামাজিক মাধ্যমে অমিতাভ বচ্চন তখন একটি 'ব্ল্যাঙ্ক' পোস্ট শেয়ার করলেন। শুধু লিখেছেন, T 5561-
ধর্মেন্দ্রর ‘প্রয়াণের’ খবর রটে যাওয়ায় কন্যা অভিনেত্রী এষা দেওল জানান, এই খবর সম্পূর্ণ মিথ্যে বরং তিনি স্থিতিশীল। রেগে যান তাঁর স্ত্রী হেমা মালিনীও। অমিতাভ প্রতিদিন এক্সবার্তায় তাঁর পোস্ট সংখ্যা দিয়ে চিহ্ণিত করেন। তাঁর পোস্ট হু হু করে ভাইরাল হয়ে যায় নেটভুবনে।
নেটনাগরিকদের অনুমান ‘শোলে’-র স্মৃতিমেদুরতায় ভেসেছেন অমিতাভ বচ্চন। সহ অভিনেতার অসুস্থতার খবরে এতটাই ভেঙে পড়েছেন যে কিছু লেখার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছেন। বিগ বি-র পোস্ট দেখে অনেকেরই ধারণা সহ অভিনেতার শারীরিক পরিণতির খবরে প্রচণ্ড ভেঙে পড়েছেন অমিতাভ।
প্রসঙ্গত, সানি দেওলের টিমের তরফে জানানো হয় তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। ব্রিচ ক্যান্ডি হাসাপতালে পৌঁছে হেমা মালিনীও বলেন, সকলে তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন।
পরিবারের কথায়, যা ঘটছে তা একেবারেই ক্ষমার অযোগ্য! একজন মানুষ যখন চিকিৎসার প্রতি সাড়া দিচ্ছেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন, তখন কীভাবে দায়িত্বশীল সংবাদমাধ্যমগুলো এমন মিথ্যা খবর ছড়াতে পারে? এটি শুধু অমানবিক নয়, অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণও বটে। একজন প্রবীণ শিল্পী, যিনি সারা জীবন দর্শকদের বিনোদন ও আনন্দ দিয়েছেন, তাঁর সম্পর্কে এমন গুজব রটানো সমাজের পক্ষেও লজ্জাজনক।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত