দেশে কয়লা বাণিজ্য মঞ্চ গঠনের নিয়ম জারি, জ্বালানি বাজারে স্বচ্ছতা বাড়ানোর উদ্যোগ কেন্দ্রের
নয়াদিল্লি, ৯ জুন (হি.স.) : দেশের কয়লা বাণিজ্য ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতামূলক ও আধুনিক করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র সরকার। কয়লা বাণিজ্য মঞ্চ (কোল ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম) গঠনের জন্য মঙ্গলবার নতুন নিয়মাবলি প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় কয়ল
দেশে কয়লা বাণিজ্য মঞ্চ গঠনের নিয়ম জারি, জ্বালানি বাজারে স্বচ্ছতা বাড়ানোর উদ্যোগ কেন্দ্রের


নয়াদিল্লি, ৯ জুন (হি.স.) : দেশের কয়লা বাণিজ্য ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতামূলক ও আধুনিক করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র সরকার। কয়লা বাণিজ্য মঞ্চ (কোল ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম) গঠনের জন্য মঙ্গলবার নতুন নিয়মাবলি প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় কয়লা মন্ত্রক। সরকারের দাবি, ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর লক্ষ্যপূরণে জ্বালানি বাজারকে শক্তিশালী ও দক্ষ করে তুলতে এই উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কয়লা মন্ত্রক জানিয়েছে, সম্প্রতি অনুমোদিত খনি ও খনিজ (উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ) সংশোধনী আইন, ২০২৫-এর মাধ্যমে খনিজ বাণিজ্য মঞ্চ গঠনের আইনি কাঠামো তৈরি হয়েছে। এর ফলে কয়লা এবং কয়লাজাত পণ্যের স্বচ্ছ ও কার্যকর লেনদেনের পথ আরও সুগম হবে।

মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ জুন সরকারি গেজেটে কয়লা বাণিজ্য মঞ্চ বিধি, ২০২৬ প্রকাশ করা হয়েছে। এই বিধির আওতায় দেশে কয়লা লেনদেনের জন্য বিশেষ বাণিজ্য মঞ্চ স্থাপন ও পরিচালনা করা যাবে।

এই ব্যবস্থার তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কয়লা নিয়ন্ত্রক সংস্থা (কোল কন্ট্রোলার অর্গানাইজেশন বা সিসিও)-কে। যোগ্য সংস্থাগুলি সিসিও-র অনুমোদন নিয়ে বাণিজ্য মঞ্চ গঠন ও পরিচালনা করতে পারবে। একবার অনুমোদন মিললে তার মেয়াদ হবে ২৫ বছর।

কয়লা মন্ত্রকের মতে, এই নতুন ব্যবস্থার ফলে এতদিনের প্রচলিত সীমিত বিপণন পদ্ধতির পরিবর্তে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও বাজারভিত্তিক লেনদেন কাঠামো গড়ে উঠবে। এতে কয়লার মূল্য নির্ধারণে স্বচ্ছতা বাড়বে, লেনদেন আরও কার্যকর হবে এবং বাণিজ্যিক ও ক্যাপটিভ খনি পরিচালনাকারীরা বৃহত্তর ক্রেতা গোষ্ঠীর কাছে পৌঁছতে পারবেন। রাষ্ট্রায়ত্ত কয়লা সংস্থাগুলিও এই বাণিজ্য মঞ্চের মাধ্যমে বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ পাবে বলে মনে করছে কেন্দ্র।

কয়লা মন্ত্রকের বক্তব্য, এই উদ্যোগ ব্যবসা পরিচালনার সহজতা বাড়াবে, জ্বালানি নিরাপত্তাকে আরও মজবুত করবে এবং শিল্পোন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কেন্দ্রের আশা, আধুনিক ও স্বনির্ভর জ্বালানি পরিকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande