কেন্দ্রীয় অনুমতি ছাড়াই মমতার শিলান্যাসের অভিযোগ, সামাল দিলেন শুভেন্দু
কলকাতা, ৯ জুন (হি . স. ) : জানুয়ারি মাসের ৫ তারিখ কাকদ্বীপ এবং সাগরদ্বীপের মাঝে মুড়িগঙ্গা নদীর উপরে প্রস্তাবিত সেতুর শিলান্যাস করেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুড়িগঙ্গা নদী জাতীয় জলপথের অংশ। ফলে তার উপরে যে কোনও নির্মাণকাজের জ
শুভেন্দু অধিকারী


কলকাতা, ৯ জুন (হি . স. ) : জানুয়ারি মাসের ৫ তারিখ কাকদ্বীপ এবং সাগরদ্বীপের মাঝে মুড়িগঙ্গা নদীর উপরে প্রস্তাবিত সেতুর শিলান্যাস করেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুড়িগঙ্গা নদী জাতীয় জলপথের অংশ। ফলে তার উপরে যে কোনও নির্মাণকাজের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি নেওয়া আবশ্যক।

অভিযোগ, সেই অনুমতি ছাড়াই হয়েছিল শিলান্যাস।

সাগর দ্বীপের পশ্চিম দিক দিয়ে অসংখ্য জাহাজ এবং ভেসেল বঙ্গোপসাগরে যায়। আর পূর্ব দিক দিয়ে শুধু ভেসেল যায় বাংলাদেশে। প্রস্তাবিত সেতুটি সাগর দ্বীপের পূর্ব দিকেই গড়ে উঠবে। কিন্তু তার জন্য কেন্দ্রের কাছ থেকে অনুমতি আদায়ের কোনও চেষ্টাই মমতার সরকার করেনি।

সেতুর শিলান্যাসের সময়ই বিজেপি অভিযোগ করেছিল, ‘‘সেতু তৈরির কোনও ইচ্ছা নেই, স্রেফ ভোটে উতরে যাওয়ার কৌশল।’’

কেন্দ্রের অনুমতি ছাড়াই পরিকাঠামো নির্মাণ সংস্থা লারসেন অ্যান্ড টুব্রোকে বরাত দেওয়াও হয়ে গিয়েছিল।

মঙ্গলবার নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় জাহাজ ও জাতীয় জলপথ মন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় সেরে ফেলেছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। মুড়িগঙ্গার উপরে সেতু তৈরির কাজ যত শীঘ্র সম্ভব সেরে ফেলতে চায় তারা।

কাকদ্বীপের লট নম্বর আট এবং সাগরের কচুবেড়িয়ার মাঝে প্রস্তাবিত এই সেতুর দৈর্ঘ্য হবে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার। আনুমানিক দেড় হাজার কোটি টাকা খরচে এই সেতু তৈরি হতে সময় লাগবে সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছর।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande