নবান্ন চত্বরে গেরুয়া প্রলেপ পড়তে শুরু করল, রঙ বদলের পালা শুরু
কলকাতা, ৯ জুন (হি . স. ) : মঙ্গলবার অমৃতযোগ দেখে গেরুয়া রঙের প্রথম প্রলেপ পড়ল নবান্ন চত্বরে। গোটা নবান্ন ভবন গেরুয়া রঙেতে রাঙিয়ে দেওয়ার জন্য এখনও অবশ্য পূর্ত দফতর দরপত্র ডাকেনি। তবে নবান্ন সভাগৃহে গেরুয়া ও সাদা রঙ লাগানো শুরু হয়েছে জোর কদমে। প্রশ
নবান্ন


কলকাতা, ৯ জুন (হি . স. ) : মঙ্গলবার অমৃতযোগ দেখে গেরুয়া রঙের প্রথম প্রলেপ পড়ল নবান্ন চত্বরে। গোটা নবান্ন ভবন গেরুয়া রঙেতে রাঙিয়ে দেওয়ার জন্য এখনও অবশ্য পূর্ত দফতর দরপত্র ডাকেনি। তবে নবান্ন সভাগৃহে গেরুয়া ও সাদা রঙ লাগানো শুরু হয়েছে জোর কদমে।

প্রশাসনিক ভবনকে রাজনৈতিকভাবে অর্থবহ কোনও রঙে রাঙিয়ে দেওয়ার রীতি অতীতে এ রাজ্যে ছিল না। ভারতের কিছু পুরনো বা ঐতিহাসিক শহরে নির্দিষ্ট রঙের ব্যবহার দেখা যেত মূলত সেখানকার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ধরে রাখার কারণে। যেমন রাজস্থানের জয়পুরকে বলা হতো ‘গোলাপি শহর’ বা পিঙ্ক সিটি। যদিও আধুনিকতার ছোঁয়ায় ইদানীং সেই ঐতিহ্যও পুরোপুরি ধরে রাখতে পারেনি রাজপুতানার এই শহর।

প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে নীল-সাদা রঙের আমদানি ঘটেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জমানার একেবারে শুরুর দিনগুলিতে। এমন নয় যে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় প্রতীকের সঙ্গে নীল-সাদার কোনও সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চেনা নীল পাড় সাদা শাড়ির সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই এই রঙ বাছা হয়েছিল।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত




 

 rajesh pande