আদি কৈলাস-ওম পর্বত যাত্রায় নজিরবিহীন সাড়া, ৩৬ হাজারের বেশি ইননার লাইন পারমিট জারি
পিথোরাগড়, ৯ জুন (হি.স.) : উত্তরাখণ্ডের সীমান্তবর্তী পিথোরাগড় জেলার আদি কৈলাস ও ওম পর্বত যাত্রাকে ঘিরে এ বছর রেকর্ড সংখ্যক তীর্থযাত্রী ও পর্যটকের সমাগম ঘটছে। যাত্রা শুরুর মাত্র ৩৯ দিনের মধ্যেই ৩৬ হাজার ৭৭৬টি ইননার লাইন পারমিট (আইএলপি) জারি হয়েছে,
আদি কৈলাস-ওম পর্বত যাত্রায় নজিরবিহীন সাড়া, ৩৬ হাজারের বেশি ইননার লাইন পারমিট জারি


পিথোরাগড়, ৯ জুন (হি.স.) : উত্তরাখণ্ডের সীমান্তবর্তী পিথোরাগড় জেলার আদি কৈলাস ও ওম পর্বত যাত্রাকে ঘিরে এ বছর রেকর্ড সংখ্যক তীর্থযাত্রী ও পর্যটকের সমাগম ঘটছে। যাত্রা শুরুর মাত্র ৩৯ দিনের মধ্যেই ৩৬ হাজার ৭৭৬টি ইননার লাইন পারমিট (আইএলপি) জারি হয়েছে, যা এই তীর্থযাত্রার ইতিহাসে নতুন নজির গড়েছে।

মঙ্গলবার জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্ত, পর্যটক, ট্রেকার এবং প্রকৃতিপ্রেমীরা আদি কৈলাস ও ওম পর্বতের দর্শনে পিথোরাগড়ে ভিড় জমাচ্ছেন। যাত্রাপথে নিরাপত্তা, আবাসন, পরিবহণ এবং অন্যান্য পরিষেবা আরও উন্নত হওয়ায় যাত্রীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

পর্যটন মহলের মতে, ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জোলিংকংয়ে আদি কৈলাস সফর এবং ২০২৪ সালে মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামীর উদ্যোগে আয়োজিত যোগ কর্মসূচির পর থেকেই এই তীর্থক্ষেত্র জাতীয় স্তরে বিশেষ পরিচিতি পেতে শুরু করে। এছাড়া চলতি বছরে আয়োজিত ‘আদি কৈলাস আল্ট্রা ম্যারাথন’ও পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়িয়েছে।

প্রশাসনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের গোটা যাত্রা মরশুমে মোট ৩৬ হাজার ৫২৬টি ইননার লাইন পারমিট জারি হয়েছিল। কিন্তু এ বছর সেই সংখ্যা যাত্রা শুরুর মাত্র ৩৯ দিনের মধ্যেই ছাড়িয়ে গিয়েছে।

পিথোরাগড়ের জেলাশাসক আশিস ভাটগাঁই জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর যাত্রীদের উৎসাহ অনেক বেশি। তাঁর কথায়, উন্নত সড়ক যোগাযোগ, পর্যটকবান্ধব পরিকাঠামো, আবাসনের সুযোগ বৃদ্ধি এবং প্রশাসনের ধারাবাহিক উদ্যোগের ফলেই এই সাড়া মিলছে।

তিনি বলেন, আদি কৈলাস যাত্রাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। হোমস্টে, পরিবহণ, ক্ষুদ্র ব্যবসা, হস্তশিল্প এবং পর্যটন নির্ভর নানা পেশায় নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ফলে ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে এই যাত্রা।

প্রশাসনের আশা, আগামী দিনে আরও বেশি সংখ্যক তীর্থযাত্রী ও পর্যটক এই অঞ্চলে আসবেন। সেই লক্ষ্যেই যাত্রাপথে পরিষেবা ও পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ অব্যাহত রাখা হয়েছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande