অসমের ৬৭৬টি সরকারি স্কুলে বিদ্যুৎ নেই, ২৮৩টিতে নেই ছেলেদের শৌচাগার : শিক্ষামন্ত্রী
গুয়াহাটি, ৭ জুলাই (হি.স.) : অসমের মোট ৬৭৬টি সরকারি স্কুলে এখনও কোনও ধরনের বিদ্যুৎ সংযোগ নেই, আর ২৮৩টি স্কুলে ছেলেদের জন্য নেই শৌচাগার। তবে ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে সব সরকারি স্কুলে প্রয়োজনীয় মৌলিক পরিকাঠামো নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়েছে রাজ্য সরকার
অসমের ৬৭৬টি সরকারি স্কুলে বিদ্যুৎ নেই, ২৮৩টিতে নেই ছেলেদের শৌচাগার : শিক্ষামন্ত্রী


গুয়াহাটি, ৭ জুলাই (হি.স.) : অসমের মোট ৬৭৬টি সরকারি স্কুলে এখনও কোনও ধরনের বিদ্যুৎ সংযোগ নেই, আর ২৮৩টি স্কুলে ছেলেদের জন্য নেই শৌচাগার। তবে ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে সব সরকারি স্কুলে প্রয়োজনীয় মৌলিক পরিকাঠামো নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়েছে রাজ্য সরকার। এই তথ্য জানিয়েছেন অসমের শিক্ষামন্ত্রী ডা. রণোজ পেগু।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে শিক্ষামন্ত্রী জানান, রাজ্যের ৪৪,২৪৩টি সরকারি স্কুলের মধ্যে ৬৭৬টি (১.৫৩ শতাংশ) এখনও বিদ্যুৎবিহীন। চলতি অর্থবর্ষে ওই সব স্কুলে বিদ্যুৎ সংযোগ পৌঁছে দিতে ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, ৬৪৩টি স্কুলে নিয়মিত বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকলেও সৌরশক্তি ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষাকার্য চালানো হচ্ছে।

বিদ্যালয়গুলিতে স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রসঙ্গে রণোজ পেগু জানান, রাজ্যের সব সরকারি স্কুলে ছাত্রীদের জন্য শৌচাগার নির্মাণের কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে মাত্র ২৮৩টি স্কুলে (০.৬৪ শতাংশ) ছেলেদের শৌচাগার নেই। ইতিমধ্যে চলতি অর্থবর্ষে ওই শৌচাগারগুলির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে।

ডিজিটাল শিক্ষার অগ্রগতি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী জানান, অসম সরকার পরিচালিত ১০,৯৬৫টি স্কুলের মধ্যে ১০,০৩৩টিতে অন্তত একটি করে ডিজিটাল শিক্ষার পরিকাঠামো রয়েছে। এর মধ্যে আইসিটি ল্যাব, টেলি-এডুকেশন সুবিধা অথবা স্মার্ট ক্লাসরুম অন্তর্ভুক্ত।

তিনি জানান, বাকি স্কুলগুলিতে এখনও ডিজিটাল পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয়নি। তবে চলতি অর্থবর্ষে আরও ৩২৮টি স্কুলে আইসিটি ল্যাব স্থাপন করা হবে। এর ফলে ডিজিটাল পরিকাঠামোবিহীন স্কুলের সংখ্যা কমে ৬০৮-এ নেমে আসবে।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আগামী অর্থবর্ষে অবশিষ্ট সব স্কুলে ডিজিটাল পরিকাঠামো গড়ে তুলে শতভাগ কভারেজ নিশ্চিত করার জন্য একটি রোডম্যাপ প্রস্তুত করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে সব সরকারি স্কুলে প্রয়োজনীয় মৌলিক পরিকাঠামো সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য নিয়েছে রাজ্য সরকার।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande