বয়স নয়, দেশপ্রেমই ছিল পরিচয়! মেদিনীপুরের স্বাধীনতা সংগ্রামের কনিষ্ঠ শহিদ পুরীমাধব, আক্ষেপে এলাকাবাসী
তমলুক, ৮ আগস্ট (হি. স.): বয়স কখনও দেশপ্রেমের মাপকাঠি হতে পারে না। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে মেদিনীপুরের অবদান যেমন গৌরবের, তেমনই সেই ইতিহাসের পাতায় এখনও আড়ালে রয়ে গিয়েছেন বহু কিশোর বিপ্লবী। তাঁদেরই অন্যতম নন্দকুমার থানার কল্যাণচক গৌরমোহন ই
কনিষ্ঠ স্বাধীনতা সংগ্রামী


তমলুক, ৮ আগস্ট (হি. স.): বয়স কখনও দেশপ্রেমের মাপকাঠি হতে পারে না। ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে মেদিনীপুরের অবদান যেমন গৌরবের, তেমনই সেই ইতিহাসের পাতায় এখনও আড়ালে রয়ে গিয়েছেন বহু কিশোর বিপ্লবী। তাঁদেরই অন্যতম নন্দকুমার থানার কল্যাণচক গৌরমোহন ইনস্টিটিউশনের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র পুরীমাধব প্রামাণিক। ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় মেদিনীপুরের অন্যতম কনিষ্ঠ শহিদ হিসেবে তাঁর নাম উঠে আসে।

১৯৪২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে উত্তাল মেদিনীপুর। তমলুকে থানা দখলের অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন ৭৩ বছরের মাতঙ্গিনী হাজরা। সেই মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন কল্যাণচক গৌরমোহন ইনস্টিটিউশনের দুই নাবালক ছাত্র—সপ্তম শ্রেণির পুরীমাধব প্রামাণিক এবং নবম শ্রেণির উপেন্দ্রনাথ জানা। পুলিশের গুলিতে সেদিন তাঁরা শহিদ হন। একই দিনে মহিষাদল থানার সামনে প্রাণ হারান ওই স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র আশুতোষ কুইলা।

স্কুলের বর্তমান প্রধান শিক্ষক জানান, তৎকালীন প্রধান শিক্ষক শ্রীপতিচরণ বয়াল পড়ুয়াদের পড়াশোনার পাশাপাশি স্বাধীনতা আন্দোলনে যুক্ত হতে উৎসাহিত করতেন।

একই দিনে তিন কিশোরের আত্মবলিদান কল্যাণচক গৌরমোহন ইনস্টিটিউশনের ইতিহাসকে গৌরবান্বিত করেছে। তবে জেলার গণ্ডি পেরিয়ে তাঁদের নাম এখনও পাঠ্যপুস্তক বা বৃহত্তর ইতিহাসচর্চায় যথেষ্ট জায়গা না পাওয়ায় আক্ষেপ রয়েছে স্থানীয়দের। স্বাধীনতার অমৃতকালে এই বিস্মৃত কিশোর শহিদদের স্মরণ ও তাঁদের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার দাবি উঠছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / এ. গঙ্গোপাধ্যায়




 

 rajesh pande