ट्रेंडिंग

Blog single photo

এমসিডি-তে বিজেপির কাজে দিল্লিবাসী হতাশ : কেজরিওয়াল

03/03/2021

নয়াদিল্লি, ৩ মার্চ (হি.স.): দিল্লিতে পৌর নিগম উপ-নির্বাচনে আম আদমি পার্টি (আপ)-র জয়জয়কার। পাঁচটি ওয়ার্ডের মধ্যে চারটিতে জয়লাভ করেছে কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি। একটি ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছে কংগ্রেস। উপ-নির্বাচনে খাতা খুলতেই পারেনি বিজেপি। এই জয়ের পর বুধবার কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, "এই জয় বুঝিয়ে দিল আম আদমি পার্টির কাজে জনগণ খুশি। ২০১৫ সালে ৭০টি আসনের মধ্যে ৬৭টিতে জয়ী হয়েছিলাম আমরা, ২০২০-তে ৭০-এর মধ্যে ৬২টি আসনে এবং এখন এমসিডি উপ-নির্বাচনে, পাঁচের মধ্যে চারটি আসনে আমরা জয়ী হয়েছি, জনগণ চাইছেন আমরাই যেন চালিয়ে যাই। বিজেপির শুন্য আসনে জয় বুঝিয়ে দিচ্ছে, জনগণ হতাশ।"
কেজরিওয়াল আরও বলেন, "দিল্লি পৌর নিগমে (এমসিডি) বিজেপির ১৫ বছরের কাজে দিল্লিবাসী হতাশ ছিল, যেহেতু তাঁরা (বিজেপি) শুধুমাত্র শুন্য দিয়েছে। এমসিডি শুধুমাত্র আবর্জনা ছড়িয়েছে। এতটাই দুর্নীতি ছিল যে, মানুষ এমসিডি-কে মোস্ট করাপ্ট ডিপার্টমেন্টও বলত। আপ-কে ভোট দিয়ে দিল্লিবাসী এবার ভালো কাজ চাইছেন। কেজরিওয়াল এদিন বলেন, "তাঁরা যখন আমার কাছে ১৩,০০০ কোটি  করেছিলেন, দিল্লিবাসী এটা ভালোভাবে মেনে নেননি। যত টাকা দেওয়ার দরকার ছিল দিল্লি সরকার দিয়েছে, কিন্তু তাঁরা শুধু বলতে থাকে আরও চাই চাই, জনগণ তা মেনে নেননি। যে সরকার স্যানিটেশন কর্মীদের বেতন দিতে পারেনি, তাঁদের ক্ষমতায় থাকার কোনও যোগ্য নেই।"
উল্লেখ্য, গত রবিবার পাঁচটি ওয়ার্ডের উপ-নির্বাচনে ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছিল। বুধবার ফল ঘোষণার পর কল্যাণপুরী, রোহিণী-সি, ত্রিলোকপুরী এবং শালিমার বাগ ওয়ার্ডে আপ জয়ী হয়েছে। কংগ্রেস জয়ী হয়েছে চৌহান বাঙ্গার ওয়ার্ডে। এই ওয়ার্ডে আপ প্রার্থী মহম্মদ ইশরাক খানকে ১০,৬৪২ ভোটে হারিয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী চৌধুরী জুবাইর আহমেদ। ওয়ার্ড নম্বর ৬২ এন (শালিমার বাগ উত্তর)-এ ২,৭০৫ ভোটে জয়ী হয়েছেন আপ প্রার্থী সুনিতা মিশ্র। সুনিতা পরাজিত করেছেন বিজেপি প্রার্থী সুরভী জাজুকে। এই ওয়ার্ড আগে বিজেপির দখলে ছিল। ওয়ার্ড নম্বর ৮ (কল্যাণপুরী)-এ ৭,০৪৩ ভোটে জয়ী হয়েছেন আপ প্রার্থী ধীরেন্দ্র কুমার। ত্রিলোকপুরীতে বিজেপির ওম প্রকাশকে ৪,৯৮৬ ভোটের মার্জিনে হারিয়েছেন আপ প্রার্থী বিজয় কুমার। রোহিণী সি ওয়ার্ডে বিজেপির রাকেশ গয়ালকে ২,৯৮৫ ভোটে হারিয়েছেন আপ প্রার্থী রাম চান্দের।

হিন্দুস্থান সমাচার। রাকেশ।


 
Top