মকর সংক্রান্তি ঘিরে ঝাড়গ্রাম ও জঙ্গলমহলে উৎসবের আমেজ, টুসু পরবের প্রস্তুতি চূড়ান্ত
ঝাড়গ্রাম, ১৩ জানুয়ারি ( হি. স.) : মকর সংক্রান্তিকে কেন্দ্র করে ঝাড়গ্রাম শহর ও জঙ্গলমহলের বিভিন্ন বাজার-হাটে উৎসবের রঙ লেগেছে। মঙ্গলবার সংক্রান্তি উপলক্ষে পুজোর সামগ্রী, ফল, পিঠে-পুলি ও লোকাচার সংক্রান্ত জিনিস কিনতে সোমবার সকাল থেকেই মানুষের ভিড়
মেলা


ঝাড়গ্রাম, ১৩ জানুয়ারি ( হি. স.) : মকর সংক্রান্তিকে কেন্দ্র করে ঝাড়গ্রাম শহর ও জঙ্গলমহলের বিভিন্ন বাজার-হাটে উৎসবের রঙ লেগেছে। মঙ্গলবার সংক্রান্তি উপলক্ষে পুজোর সামগ্রী, ফল, পিঠে-পুলি ও লোকাচার সংক্রান্ত জিনিস কিনতে সোমবার সকাল থেকেই মানুষের ভিড় চোখে পড়ে। গ্রাম থেকে শহর সর্বত্রই টুসু পরবের প্রস্তুতি এখন শেষ পর্যায়ে।টুসু পরবকে ঘিরে ঝাড়গ্রাম শহরের প্রধান বাজারের পাশাপাশি প্রত্যন্ত এলাকার হাটগুলিতেও ব্যস্ততা তুঙ্গে। মূর্তি, ফল, খই-মুড়কি, পিঠে-পুলি-সহ নানা পুজোর সামগ্রী কিনতে ব্যস্ত কুমারী ও এয়োতিরা। রাত পোহালেই জঙ্গলমহল জুড়ে ঐতিহ্যবাহী টুসু পরব ধুমধামে পালিত হবে।মূলত আদিবাসী ও মূলবাসী সমাজের অন্যতম প্রধান লোকোৎসব হলেও, মকর সংক্রান্তিকে ঘিরে এই উৎসবে এখন সমাজের সর্বস্তরের মানুষই শামিল হন। পৌষ সংক্রান্তির আগের রাতটি টুসু পুজোর রাত হিসেবে পালিত হয়। এদিন ফল, পিঠে, খই-মুড়কি দিয়ে নৈবেদ্য সাজিয়ে সমৃদ্ধির দেবী টুসুমণির পুজো করেন কুমারী ও এয়োতিরা। অনেক গ্রামে এখনও সারারাত ধরে টুসু গান গেয়ে দেবীকে ‘জাগিয়ে রাখা’র রীতির প্রচলন রয়েছে।পরদিন গান গাইতে গাইতে নদী বা জলাশয়ে টুসু মূর্তি বিসর্জনের মধ্য দিয়ে উৎসবের সমাপ্তি ঘটে। এক সময় গোটা পৌষ মাস জুড়েই চলত টুসু উৎসব। নতুন ফসল তোলার আনন্দে আট থেকে আশি সবাই মেতে উঠতেন টুসু গানে, যার চূড়ান্ত রূপ আজও দেখা যায় মকর পরবের দিনে।

হিন্দুস্থান সমাচার / এ. গঙ্গোপাধ্যায়




 

 rajesh pande