জিএসটি ছাড়েও ক্রেতা নেই, আগরতলায় পৌষ সংক্রান্তির বাজারে মন্দা
আগরতলা, ১৩ জানুয়ারি (হি.স.) : মকর সংক্রান্তিকে সামনে রেখে পিঠে-পুলির উপকরণে জিএসটি সরলীকরণের সুফল মিললেও রাজধানী আগরতলার হাট-বাজারে উৎসবের বাজারে দেখা যাচ্ছে স্পষ্ট মন্দা। ক্রেতার অভাবে মাথায় হাত পড়েছে ব্যবসায়ীদের। রাত পোহালেই মকর সংক্রান্তি। ধনু
সংক্রান্তির বাজার


আগরতলা, ১৩ জানুয়ারি (হি.স.) : মকর সংক্রান্তিকে সামনে রেখে পিঠে-পুলির উপকরণে জিএসটি সরলীকরণের সুফল মিললেও রাজধানী আগরতলার হাট-বাজারে উৎসবের বাজারে দেখা যাচ্ছে স্পষ্ট মন্দা। ক্রেতার অভাবে মাথায় হাত পড়েছে ব্যবসায়ীদের।

রাত পোহালেই মকর সংক্রান্তি। ধনু রাশি থেকে মকর রাশিতে সূর্যের প্রবেশের মধ্য দিয়ে এই পুণ্য তিথি উদযাপিত হয়। ত্রিপুরায় মকর সংক্রান্তি ‘পৌষ সংক্রান্তি’ নামে পরিচিত। এই উৎসব মানেই বুড়ির ঘরের আগুনে শরীর গরম করে ভোরের আলোয় পিঠে-পুলির স্বাদ গ্রহণ। আর সেই পিঠে-পুলির জন্য প্রয়োজন কদমা, খেজুরের গুড়, তিল্লাই বাতাসা, চালের গুঁড়া, গুড়-সহ নানা সামগ্রী।

মকর সংক্রান্তিকে ঘিরে রাজধানীর বটতলা বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে পিঠে-পুলির উপকরণ নিয়ে পসরা সাজিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে প্রত্যাশিত ভিড় নেই বলেই জানাচ্ছেন তাঁরা। বটতলা বাজারের এক ব্যবসায়ী জানান, এ বছর কদমা বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ২০০ টাকায়, খেজুরের গুড় ২৫০ টাকা কেজি, তিল্লাই বাতাসা ১০০ টাকা, চালের গুঁড়া ৬০ টাকা এবং সাধারণ গুড় ৮০ টাকা কেজি দরে। তাঁর কথায়, গত বছরের তুলনায় এ বছর পিঠে-পুলির অধিকাংশ উপকরণের দাম কমেছে, কিন্তু বাজার একেবারেই নিম্নমুখী।

বাজারে মন্দার কারণ হিসেবে ওই ব্যবসায়ী জানান, বর্তমানে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ছোট ছোট বাজার বসছে। তার পাশাপাশি কিছু ব্যবসায়ী ডোর-টু-ডোর ঘুরে সামগ্রী বিক্রি করছেন। ফলে মানুষ বাজারমুখী হচ্ছেন না। এই পরিস্থিতি তাঁদের চিন্তায় ফেলেছে বলে জানান তিনি।

শুধু বটতলা বাজারই নয়, মহারাজগঞ্জ, লেক চৌমুহনী, দুর্গা চৌমুহনী, মঠ চৌমুহনী-সহ রাজধানীর প্রায় সব বাজারেই একই ছবি। পিঠে-পুলির উপকরণের ক্রয়মূল্য সব বাজারেই প্রায় এক হলেও ক্রেতার সংখ্যা কম।

এদিকে, গত বছরের মত এবারও বিভিন্ন বাজারে রেডিমেড পিঠে-পুলি প্যাকেট করে বিক্রি হচ্ছে। সীমিত বাজেট ও সাধ্যের মধ্যে সামঞ্জস্য রেখে অনেক ক্রেতাই সেই দিকেই ঝুঁকছেন। সব মিলিয়ে পৌষ সংক্রান্তির আগের দিনে উৎসবের বাজারে যে উচ্ছ্বাস থাকার কথা, তা এবার বেশ ফিকে বলেই মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande