গুয়াহাটিতে লোমহৰ্ষক ডাকাতি, গৃহিণীকে মারধর, লুট নগদ লক্ষাধিক টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার
গুয়াহাটি, ২০ জানুয়ারি (হি.স.) : গুয়াহাটি মহানগরীর ব্যস্ত গণেশপাড়া এলাকার এক বাড়িতে লোমহৰ্ষক ডাকাতির ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। চারজনের অস্ত্রধারী ডাকাতের দল বাড়ির গৃহিণীকে মারধর করে লুট করে নিয়েছে বহু লক্ষ টাকার স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থ।
সিসিটিভি ক্যামেরায় স্নেহাশ্রয়-এ ডাকাতির কয়েকটি মুহূর্ত


গুয়াহাটি, ২০ জানুয়ারি (হি.স.) : গুয়াহাটি মহানগরীর ব্যস্ত গণেশপাড়া এলাকার এক বাড়িতে লোমহৰ্ষক ডাকাতির ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। চারজনের অস্ত্রধারী ডাকাতের দল বাড়ির গৃহিণীকে মারধর করে লুট করে নিয়েছে বহু লক্ষ টাকার স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থ।

মঙ্গলবার গভীর রাতে গণেশপাড়ায় ব্যবসায়ী জনৈক অনিল ডেকার বাড়ি ‘স্নেহাশ্রয়’-এ সিনেমার কায়দায় সশস্ত্র ডাকাতি সংগঠিত হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মুখে কালো কাপড় বেঁধে, হাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে চার ডাকাত প্রায় ৪০ মিনিট নির্বিঘ্নে লুটপাট চালায়। বাড়িতে পুরুষ সদস্য অনুপস্থিত থাকার সুযোগ নিয়ে তারা অনিল ডেকার স্ত্রী করবী ডেকা ও গাড়িচালক মনোজকে পিস্তল ও ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে হামলার ভীতি প্রদর্শন করে।

ডাকাতরা করবী ডেকা ও চালক মনোজের সঙ্গে বেশ কয়েকবার ধস্তাধস্তি করেছে। মারধরও করেছে তাঁদের। গৃহিণী করবী তাঁর আঙুল থেকে আংটি খুলতে পারছিলেন না। তখন তারা আঙুল কেটে দেওয়ারও নাকি চেষ্টা করেছ। ডাকাতরা প্রথমে পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করে। পড়ে এই অঙ্ক বাড়িয়ে দেয়ে তারা।

জানা গেছে, সাদা রঙের একটি সুইফট গাড়িতে করে ঘটনাস্থলে আসে ডাকাতরা। আবাসনের গেট খুলে দুঃসাহসিক ভঙ্গিতে তারা বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে। বাড়িতে ছিলেন না ব্যবসায়ী অনিল ডেকা। তিনি তাঁদের কন্যাকে ইউনাইটেড কিংডম (ইউকে)-এ পড়াশোনার উদ্দেশ্যে যেতে দিল্লি পৌঁছে দিতে গিয়েছিলেন। ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন শুধু তাঁর স্ত্রী করবী ও গাড়িচালক মনোজ।

এই সুযোগেই চার সশস্ত্র ডাকাত বাড়িতে ঢুকে মারপিট করে নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়।

ভয়াবহতার চূড়ান্ত পর্যায়ে ডাকাতরা করবী ডেকার মুখে পিস্তল ঠেকায়। গোটা ডাকাতির ঘটনা বাড়িতে সাঁটা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। ঘটনার রাতেই ফাটাশিল থানায় এজাহার দাখিল করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ফাটাশিল থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে এখনও ধারপাকরের খবর পাওয়া যায়নি।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande