(আপডেট) এসআইআর–এর শুনানি নিয়ে ব্যাপক ঝামেলা বাসন্তীতে
বাসন্তী, ২০ জানুয়ারি (হি. স.): এস আই আর নিয়ে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করা হচ্ছে, দিনের পর দিন নানা অজুহাতে শুনানি শিবিরে ডাকা হচ্ছে সাধারণ ভোটারদেরকে, এই অভিযোগে সোনাখালিতে বাসন্তী রাজ্য সড়ক অবরোধ করে রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন এলাকার স
(আপডেট) এসআইআর–এর শুনানি নিয়ে ব্যাপক ঝামেলা বাসন্তীতে


বাসন্তী, ২০ জানুয়ারি (হি. স.): এস আই আর নিয়ে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করা হচ্ছে, দিনের পর দিন নানা অজুহাতে শুনানি শিবিরে ডাকা হচ্ছে সাধারণ ভোটারদেরকে, এই অভিযোগে সোনাখালিতে বাসন্তী রাজ্য সড়ক অবরোধ করে রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন এলাকার সাধারণ মানুষজন। মঙ্গলবার সকাল দশটা থেকে প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে অবরোধ চলে। পাশাপাশি বিডিও অফিস চত্বরে তৈরি হওয়া এস আই আরের শুনানি শিবিরের বেশ কিছু চেয়ার টেবিল ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় বাসন্তীতে। পরে বাসন্তী থানার পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেয়। ঘটনায় অন্তত দুজন গুরুতর জখম হয়েছেন। আহতদের ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সোমবার বাসন্তীর ভাঙনখালি এলাকায় রাজ্য সড়ক অবরোধ করে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন এলাকার সাধারণ ভোটাররা। সেই ঘটনার পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতে ফের একই ধাঁচে মঙ্গলবার বেলা এগারোটা নাগাদ সোনাখালিতে বিক্ষোভে শুরু করেন এস আই আরে শুনানিতে ডাক পাওয়া মানুষজন। এদিন বাসন্তীর তিনটি পঞ্চায়েতের ভোটারদের ডাকা হয়েছিল শুনানিতে। অভিযোগ, সকাল সাড়ে নটায় শুনানিতে ডাকা হলেও সরকারি আধিকারিকেরা সেই সময়ে শুনানিতে আসেন নি। বেলা এগারোটা নাগাদ শুনানিতে আসেন তাঁরা। এতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন সাধারণ মানুষ। শুনানির জন্য যারা এদিন সকাল থেকেই দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এই হেনস্থার প্রতিবাদে বাসন্তী রাজ্য সড়কে টায়ারে আগুন লাগিয়ে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা। সেই অবরোধ চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে থেকে কয়েকজন আচমকাই শুনানি শিবিরের চেয়ার টেবিল ভাংচুর করেন। এতেই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। সঙ্গে সঙ্গেই সেখানে উপস্থিত পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি আতিয়ার রহমান সর্দার সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতৃত্ব তাড়া করে দুজনকে ধরে ফেলেন। তাদেরকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। পুলিশ ও এলাকার তৃণমূল নেতৃত্বদের তৎপরতায় পরিস্থিতি সামলায়। এরপর পঞ্চায়েত সমিতির পূর্তের কর্মাধক্ষ্য রাজা গাজী মাইকিং করে উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করেন। পাশাপাশি শুনানির কাজ দ্রুত যাতে শুরু করা যায় সেই উদ্যোগ নেই। দুপুর একটা নাগাদ নতুন করে শুনানির কাজ শুরু হয়। যদিও এ প্রসঙ্গে বাসন্তীর বিডিও সঞ্জীব সরকার কিছুই বলতে চাননি। বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল বলেন, “ সাধারণ মানুষ যেভাবে প্রতিদিন হেনস্থা হচ্ছে এসব তারই বহিঃপ্রকাশ। তবে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করেছে।”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / পার্সতি সাহা




 

 rajesh pande