মণিপুর, মেঘালয় এবং ত্রিপুরার রাজ্য দিবস উদ্‌যাপন অসমের লোক ভবনের
গুয়াহাটি, ২১ জানুয়ারি (হি.স.) : অসমের লোক ভবন আজ গোটা দেশের সঙ্গে সংগতি রেখে জিএমসিএইচ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মণিপুর, মেঘালয় এবং ত্রিপুরার রাজ্য দিবস উদ্‌যাপন করেছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী চন্দ্রম
বিশিষ্টজনের উপস্থিতিতে বক্তব্য পেশ করছেন অসমের মন্ত্রী চন্দ্রমোহন পাটোয়ারি


জনগোষ্ঠীয় পরম্পরাগত সাংস্কৃতিক কার্যক্রম


গুয়াহাটি, ২১ জানুয়ারি (হি.স.) : অসমের লোক ভবন আজ গোটা দেশের সঙ্গে সংগতি রেখে জিএমসিএইচ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মণিপুর, মেঘালয় এবং ত্রিপুরার রাজ্য দিবস উদ্‌যাপন করেছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী চন্দ্রমোহন পাটোয়ারি।

এ উপলক্ষ্যে জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মন্ত্রী পাটোয়ারি বলেন, এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত ভাবধারায় অনুষ্ঠিত এই উদ্‌যাপন জাতীয় সংহতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে এবং ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতি গভীর উপলব্ধি গড়ে তুলবে। তিনি বলেন, মণিপুর, মেঘালয় এবং ত্রিপুরা ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ রাজ্য, যেগুলি প্রত্যেকেই জাতির সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কাঠামোয় অনন্য অবদান রেখে চলেছে। পাশাপাশি এই রাজ্যগুলি দেশের উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

মন্ত্রী চন্দ্রমোহন আরও বলেন, সাধারণ ভূগোল, অভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রকাশভঙ্গি ও ঐতিহাসিক সম্পর্কের কারণে এই তিনটি সহোদর রাজ্যের সঙ্গে অসমের গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক রয়েছে। তিনি পর্যবেক্ষণ করেন, উত্তর-পূর্বাঞ্চল প্রকৃত অর্থেই ‘ঐক্যের মধ্যে বৈচিত্র্য’-এর এক উজ্জ্বল উদাহরণ, যেখানে জনগণ সম্প্রীতি, সহনশীলতা ও পারস্পরিক সম্মানের মূল্যবোধ বজায় রেখে চলেছে।

চন্দ্রমোহন পাটোয়ারি আরও বলেন, রাজ্য দিবস উদ্‌যাপন কেবল সাংবিধানিক মাইলফলকের স্মরণ নয়, জনগণকেন্দ্রিক শাসনের পুনর্নিশ্চয়নও বটে, যা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসকারী সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মানুষদের ঐক্যবদ্ধ রাখে। রাজ্য দিবস অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নের জন্য সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা প্রচারেরও একটি উপলক্ষ। তিনি ক্রীড়া, শিল্পকলা, শিক্ষা ও জনসেবার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে অঞ্চলের যুবসমাজের ক্রমবর্ধমান অবদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এই উপলক্ষ্যে মন্ত্রী পাটোয়ারি মণিপুর, মেঘালয় এবং ত্রিপুরাবাসী জনগণের বিশেষ ভূমিকার প্রশংসা করে রাজ্যগুলির শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত মুখ্যসচিব ড. জন বার্চম্যানস এক্কা, এডিজিপি (ভিজিল্যান্স ও দুর্নীতি দমন), ফায়ার অ্যান্ড এমার্জেন্সি সার্ভিসেস-এর অধিকর্তা সুরেন্দ্র কুমার; রাজ্যপালের কমিশনার-সচিব এসএস মীনাক্ষী সুন্দরম; গুয়াহাটিতে অবস্থিত মণিপুর ভবনে কর্মরত ডেপুটি রেসিডেন্ট কমিশনার স্টিফ খাপুদাং; ডেপুটি রেসিডেন্ট কমিশনার, ত্রিপুরা ভবন, গুয়াহাটি হোমাগ্নি ভট্টাচার্য; ওএসডি, মেঘালয় হাউস, গুয়াহাটি কে তাবাহ সহ আরও বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে তিন রাজ্যের জনগোষ্ঠীয় পরম্পরাগত সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিবেশনা হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande