কোকরাঝাড়ে মন্ত্রী জয়ন্তমল্লের পৌরোহিত্যে অনুষ্ঠিত সর্বদলীয় শান্তি বৈঠক
বৈঠকে ছিলেন বিটিসি-প্রধান হাগ্রামা মহিলারি ও বিধায়ক লরেন্স ইসলারি কোকরাঝাড় (অসম), ২১ জানুয়ারি (হি.স.) : রজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী জয়ন্তমল্ল বরুয়ার পৌরোহিত্যে ‘বড়োল্যান্ড টেরিটরিয়াল কাউন্সিল’ (বিটিসি) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সর্বদলীয় শান্তি বৈঠকে জে
সর্বদলীয় শান্তি বৈঠকে মন্ত্রী জয়ন্তমল্ল বরুয়া ও বিটিসি-প্রধান হাগ্রামা মহিলারি


বৈঠকে ছিলেন বিটিসি-প্রধান হাগ্রামা মহিলারি ও বিধায়ক লরেন্স ইসলারি

কোকরাঝাড় (অসম), ২১ জানুয়ারি (হি.স.) : রজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী জয়ন্তমল্ল বরুয়ার পৌরোহিত্যে ‘বড়োল্যান্ড টেরিটরিয়াল কাউন্সিল’ (বিটিসি) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সর্বদলীয় শান্তি বৈঠকে জেলায় স্বাভাবিক ও শান্ত পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। বৈঠকে অন্য বিশিষ্টজনের সঙ্গে ছিলেন বিটিসি-প্রধান হাগ্রামা মহিলারি এবং বিধায়ক লরেন্স ইসলারি।

আজ বুধবার বিটিসি সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত শান্তি বৈঠকে কয়েকটি আঞ্চলিক দল ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেছেন। বৈঠকে মন্ত্রী জয়ন্তমল্ল বরুয়া বলেন, কিছু ভুল বোঝাবুঝির দরুন গতকাল এবং তার আগের দিন যে সব ঘটনা ঘটেছে, তা ঘটার কোনও কথা ছিল না। অথচ সেগুলো সংঘটিত হয়েছে।

জয়ন্তমল্ল বলেন, ‘এখন বড়োল্যান্ড টেরিটরিয়াল রিজিওন (বিটিআর)-এর উন্নয়ন ও বিকাশের সময়। এ ধরনের ঘটনা ঘটলে আমাদেরও কষ্ট হয়। মুখ্যমন্ত্রী সুইজারল্যান্ডে রয়েছেন। রাজ্যের বাইরে থাকলেও তিনি সৰ্বক্ষণ কোকরাঝাড়ের পরিস্থিতির খোঁজখবর নিচ্ছেন। স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সব নির্দেশনা দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী।’

মন্ত্রী বরুয়া আরও বলেন, ‘বিটিসি-প্রধান হাগ্রামা মহিলারি এবং বিটিসি প্রশাসন শান্তি বজায় রাখতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আগামী পরশু ২৩ জানুয়ারি আমি আবার কোকরাঝাড় আসব। সেদিন নিহত ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করব। আমরা একটি স্বাভাবিক ও শান্ত পরিবেশ চাই। বিটিসি অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি কামনা করি। জেলার সাধারণ এবং পুলিশ প্রশাসন এবং বিভিন্ন দল-সংগঠনের সঙ্গে আমরা আলোচনা করেছি। পাঁচটি আশ্রয় শিবির রয়েছে। ওই সব আশ্রয় শিবিরের প্রয়োজন আছে কি না, তা গ্ৰামে গ্রামে সমীক্ষা চালিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

বিটিসি-প্রধান হাগ্রামা মহিলারি বলেন, ‘ডিস্ট্রিক্ট কমিশনার শান্তির জন্য যে বৈঠকের আয়োজন করেছেন, তা সফল হয়েছে। সবাই শান্তি চায়। সাঁওতাল, আদিবাসী, বড়ো, বাঙালি, মুসলমান - সবাই শান্তি চায়। পাঁচটি আশ্রয় শিবির থাকলেও চারটি শিবির থেকে খুব শীঘ্রই আবাসিকদের নিজ নিজ ঘরে ফেরানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর একটি শিবিরে কিছুটা দেরি হবে। এছাড়া, যাঁরা নিজের বাড়িতে ফিরবেন, সেই পরিবারগুলোর মধ্যে চাল, ডাল সহ অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা হবে।’

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande