নদীয়াতে মদনমোহন তর্কালঙ্কারের জন্মবার্ষিকী পালিত
কলকাতা ৩ জানুয়ারি (হি. স.) : নারী শিক্ষা আন্দোলনের পথিকৃৎ ও বিধবা বিবাহ প্রবর্তনের অন্যতম হোতা এবং প্রথম সার্থক বাংলা প্রাইমার রচয়িতা, বাংলা শিশু সাহিত্যের প্রথম সার্থক কবি মদনমোহন তর্কালঙ্কার আজকের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন। রাজ্য জুড়েই তা পালিত হয
নদীয়া জেলার মাটিতে জন্মবার্ষিকী পালিত হয়


কলকাতা ৩ জানুয়ারি (হি. স.) : নারী শিক্ষা আন্দোলনের পথিকৃৎ ও বিধবা বিবাহ প্রবর্তনের অন্যতম হোতা এবং প্রথম সার্থক বাংলা প্রাইমার রচয়িতা, বাংলা শিশু সাহিত্যের প্রথম সার্থক কবি মদনমোহন তর্কালঙ্কার আজকের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন। রাজ্য জুড়েই তা পালিত হয়েছে। শনিবার জন্মভিটে সংলগ্ন এলাকায়ও সাড়ম্বরে দিনটি পালন করা হয়। উল্লেখ্য, ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দের আজকের দিনে নদিয়ার নাকাশিপাড়া থানার বিলগ্রামে তাঁর জন্ম। তাঁর জন্মদিন উপলক্ষ্যে ধুবুলিয়া কথাশিল্প আবৃত্তি চর্চাকেন্দ্র স্থানীয় শিশু নিকেতন স্কুলে এক শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন কবি স্বপন পাল ও কবি দিলীপ পাল।জনশ্রুতি, বাল্যকাল থেকেই তিনি মুখে মুখে শ্লোক তৈরীতে পারদর্শিতার পরিচয় মিলেছে। ১৭ বছর বয়সেই লিখে ফেলেছেন রসতরঙ্গিনী কাব্য।

প্রসঙ্গত, ১৮৪৯ সালে কলকাতা ফিমেল স্কুলের ছাত্রীদের পড়ানোর জন্য লিখলেন - শিশুশিক্ষা। সেই বইয়ের পাতা থেকেই উদ্ধৃত - পাখি সব করে রব... কবিতাটি বাংলা শিশু সাহিত্যের প্রথম সার্থক কবিতা। সংশ্লিষ্ট বইটি বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক প্রাইমার। যদিও তার ৬ বছর পরে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বর্ণপরিচয় রচনা করেন।

এই মহান মানুষটিকে নিয়েই আলোচনা, তাঁকে নিয়ে লেখা কবিতা পাঠ করেছেন - পীতম ভট্টাচার্য, স্বপন পাল, দিলীপ পাল প্রমুখ। আয়োজক - কথাশিল্প সংস্থার ছাত্রছাত্রীরা তাঁর প্রতি নিবেদনে কবিতাগুচ্ছ নিয়েই মঞ্চে হাজির আবৃত্তিপাঠে যোগ দেয় ।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande