বৈকুণ্ঠপুর জঙ্গলে গভীর রাতে বনদুর্গা পূজা, ৪৫ বছরে পা দিল ঐতিহ্যবাহী উৎসব
শিলিগুড়ি, ৩ জানুয়ারি ( হি. স.) : শনিবার শিলিগুড়ি সংলগ্ন বৈকুণ্ঠপুর জঙ্গলের গভীরে অবস্থিত দিল্লিভিটা–চাঁদের খাল এলাকায় প্রতি বছরের মতো এবছরও নিষ্ঠা ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হল বনদুর্গা পূজা। সাধারণ মানুষের কাছে এলাকা তেমন পরিচি
বনদেবী


শিলিগুড়ি, ৩ জানুয়ারি ( হি. স.) : শনিবার শিলিগুড়ি সংলগ্ন বৈকুণ্ঠপুর জঙ্গলের গভীরে অবস্থিত দিল্লিভিটা–চাঁদের খাল এলাকায় প্রতি বছরের মতো এবছরও নিষ্ঠা ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হল বনদুর্গা পূজা। সাধারণ মানুষের কাছে এলাকা তেমন পরিচিত না হলেও বনদুর্গা মন্দির হিসেবে এই স্থানের রয়েছে বিশেষ ঐতিহ্য ও ধর্মীয় মাহাত্ম্য।পৌষ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে অনুষ্ঠিত এই বনদুর্গা পূজা এবছর ৪৫ বছরে পদার্পণ করল। উদ্যোক্তাদের তরফে জানানো হয়েছে, ২ জানুয়ারি গভীর রাতে বিশেষ পূজা ও আরাধনার মাধ্যমে বনদুর্গা মায়ের আরাধনা সম্পন্ন হয়। পরদিন ৩ জানুয়ারি সকাল থেকেই মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কোচবিহার সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে বহু পুণ্যার্থী বনদুর্গা মায়ের দর্শনে হাজির হন। ভক্তদের বিশ্বাস, জঙ্গলের গভীরে অবস্থিত এই মন্দিরে নিষ্ঠাভরে পূজা করলে মনস্কামনা পূর্ণ হয়।এদিন সকাল থেকেই মন্দির প্রাঙ্গণে প্রসাদ বিতরণ শুরু হয়। উদ্যোক্তা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুপুর ৩টা পর্যন্ত প্রসাদ বিতরণ চলবে। শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে পূজা সম্পন্ন করতে উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেন। প্রকৃতির কোলে অনুষ্ঠিত এই বনদুর্গা পূজা আজও প্রাচীন লোকাচার ও বিশ্বাসকে বহন করে চলেছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / এ. গঙ্গোপাধ্যায়




 

 rajesh pande