হাই কোর্ট–সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ উপেক্ষা করে বাঁকড়ায় জলা জমি ভরাট, প্রশাসনের নীরবতায় বাড়ছে বিপদের আশঙ্কা
বাঁকড়া, ৩ জানুয়ারি ( হি. স.) : শুধু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন, হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকেও বুড়ো আঙুল দেখিয়ে হাওড়ার বাঁকড়া এলাকায় বিঘার পর বিঘা জলা জমি ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, কয়েকজন জমি মাফিয়া
জলাশয় ভরাট


বাঁকড়া, ৩ জানুয়ারি ( হি. স.) : শুধু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন, হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকেও বুড়ো আঙুল দেখিয়ে হাওড়ার বাঁকড়া এলাকায় বিঘার পর বিঘা জলা জমি ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, কয়েকজন জমি মাফিয়া প্রশাসনের চোখের সামনেই এই বেআইনি কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, ফলে গোটা এলাকা মারাত্মক বিপদের মুখে পড়তে চলেছে।হাওড়ার বাঁকড়া ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কবরপাড়া এবং বাঁকড়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের খাঁ পাড়া এলাকায় মিলিয়ে কয়েক বিঘা জলাভূমি ভরাট করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এর ফলে বর্ষাকালে গোটা বাঁকড়া এলাকা জলমগ্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।শনিবার বাঁকড়া ১ নম্বর পঞ্চায়েতের প্রধান আখতার হোসেন মোল্লা জানান, তাঁর স্পষ্ট আপত্তি সত্ত্বেও এই কাজ চলছে এবং তিনি এই বেআইনি ভরাটের সম্পূর্ণ বিরোধিতা করছেন। অন্যদিকে বাঁকড়া ২ নম্বর পঞ্চায়েতের প্রধান লায়লা বেগম দাবি করেন, তিনি এই বিষয়ে কিছুই জানেন না।সবচেয়ে বিস্ময়ের বিষয়, ডোমজুড়ের বিধায়ক কল্যাণ ঘোষও প্রথমে বিষয়টি সম্পর্কে অজ্ঞতার কথা জানান। যদিও সাংবাদিকদের সামনে তিনি প্রশাসনকে ফোন করে অবিলম্বে কাজ বন্ধের নির্দেশ দেন। তবে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কার মদতেই এত বড় সাহস পাচ্ছে জমি মাফিয়ারা।

হিন্দুস্থান সমাচার / এ. গঙ্গোপাধ্যায়




 

 rajesh pande