বাঙালি অপমানের বদলা নেবে : অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
বীরভূম, ৬ জানুয়ারি (হি.স.): বাঙালি অস্মিতা নিয়ে সরব তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন,‘বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা প্রকাশ্য সভায় বলছে, যে বাংলা ভাষায় কথা বলছে সে বাংলাদেশি। তাঁকে জেলে ঢুকিয়ে দাও। যারা রবীন্দ্রনাথ সম্প
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়


বীরভূম, ৬ জানুয়ারি (হি.স.): বাঙালি অস্মিতা নিয়ে সরব তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন,‘বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা প্রকাশ্য সভায় বলছে, যে বাংলা ভাষায় কথা বলছে সে বাংলাদেশি। তাঁকে জেলে ঢুকিয়ে দাও। যারা রবীন্দ্রনাথ সম্পর্কে কিচ্ছু জানে না। বাংলায় এসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে রবীন্দ্রনাথ স্যানাল বলছে বাঙালি তাঁকে ক্ষমা করে দেবে? নিজেদের প্রচার করতে গিয়ে এই বিজেপি শান্তিনিকেতনের ফলক থেকে রবীন্দ্রনাথের নামই বাদ দিয়ে দিয়েছিল, বাঙালি কি ভুলে যাবে? বিজেপি কেন বাংলা বিরোধী বলেছি আজ পদে পদে টের পাওয়া যাচ্ছে। আজ প্রধানমন্ত্রী এসে বলছেন, বাঁচতে তাই, বিজেপি চাই। চাইছে আপনারা পা ধরে বলবেন। কিন্তু আপনারা পাল্টা বলুন, মানব না হার, আবার মা-মাটি-মানুষের সরকার। মানব না হার, আবার দিদির সরকার।’

রামপুরহাটের মঞ্চ থেকে বীরভূমে তৃণমূলের লক্ষ্য বেঁধে দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন,‘এ বার ১০-১ করলে হবে না, বীরভূমে তৃণমূলকে ১১-০ করতে হবে। যতই এসআইআর করুক, তৃণমূলের ভোটার বাড়বে। যে বুথে লিড ১০০ ছিল, সেখানে ১১০ করতে হবে।’ বীরভূমের সভা থেকে হেলিকপ্টার বিভ্রাট নিয়ে মুখ খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এখনও নির্বাচন শুরুই হয়নি কিন্তু এসআইআর-এর মাধ্যমেই দামামা বেজে গিয়েছে। কিন্তু বাংলা বিরোধী জমিদার বিজেপি এখনও আমার হেলিকপ্টারের অনুমতি দেয়নি। ওই হেলিকপ্টার ১০টায় ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু ওদের দশগুণ জেদ আমার। আমি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকে ফোন করে তাঁর হেলিকপ্টার নিয়ে এখানে এসেছি।’

অভিষেক আরও বলেন,‘আগামী নির্বাচন শুধু তৃণমূলকে জেতানোর লড়াই নয়। বাংলার ২ লক্ষ কোটি টাকা আটকে রেখেছে। ১৫ বছর তৃণমূল কী করেছে তা উন্নয়নের পাঁচালি হিসেবে প্রকাশ করেছে। বিজেপি কী করেছে? ওদের বলুন রিপোর্ট কার্ড আনতে। ওরা ১১ বছরে কী করেছে! এই বিজেপি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করতে চায়। ২০২১-এ জেতার পর সব কেন্দ্রীয় সাহায্য বন্ধ করে দিয়েছে। বিজেপির নেতা কালীপদ সোরেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নেওয়া মা-বৌদের ঘরে বন্ধ করে রাখার হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু দিদি থাকলে আপনার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কেউ বন্ধ করতে পারবে না। আগামী ভোটে যে কটা বিজেপির ছাঁইপাশ পড়ে আছে, ঝেঁটিয়ে বিদেয় করতে হবে। তৃণমূল জিতলে দু-মুঠো ভাত, বিরোধীরা কুপোকাৎ। রিপোর্ট কার্ড নিয়ে আসতে বলুন বিজেপিকে। ভোকাট্টা করে যদি মাঠের বাইরে না পাঠাতে পেরেছি, তা হলে নিজে রাজনীতি ছেড়ে দেব।’

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande