
মৌসুমী সেনগুপ্ত
কলকাতা, ৬ জানুয়ারি (হি. স. ) : নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অর্মত্য সেনকে পাঠানো হয়েছে এসআইআর- এর শুনানির নোটিস। মঙ্গলবার বীরভূমের সভায় দাঁড়িয়ে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই খবর ফেসবুকে সংবাদমাধ্যম প্রচারের পর কয়েক ঘন্টাতেই সরব হয়েছেন নেটনাগরিকদের একটা বড় অংশ।
সুপ্রভাত দাস লিখেছেন, “ভারতবর্ষের সমৃদ্ধি তে ঐ আমেরিকান নাগরিকের কি ভূমিকা তা একটু বিস্তারিত বলবেন? ওনার প্রথম স্ত্রী নবনীতা দেব সেনকে ডিভোর্স দেন শুধু মাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক মহিলাকে বিবাহ করতে। কারণ, প্রভাবশালী আমেরিকান মহিলাকে বিবাহ করলে নোবেল পুরস্কার লাভ করা অনেক সহজ হয়।”
বিশ্বজিৎ ব্যানার্জী লিখেছেন, “একদম সঠিক কাজ করেছেন নির্বাচন কমিশন। উনি কি আইনের উর্ধে নাকি। ধান্দাবাজ সুযোগ সন্ধানী মাকাল একটা।” সুনীল ব্যানার্জী লিখেছেন, “ভারতের অর্থনীতিতে অমর্ত্য সেনের কি অবদান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কি তা বলতে পারেন?”
সুমন অধিকারী লিখেছেন, “এটাই গণতন্ত্র। আইনের চোখে সকলে সমান।ব্যক্তিগত কৃতিত্বের উর্ধ্বে রাষ্ট্রীয় স্বার্থ।” তীর্থ দত্ত লিখেছেন, “আইন সবার জন্য সমান। নিশ্চয়ই কোন ভুল ক্রুটি আছে। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।” প্রকাশ সরকার লিখেছেন, “
অমর্ত্য সেন কি সমৃদ্ধ করেছেন দেশকে যদি জানা থাকে তবে সেটা জানালে জ্ঞান বৃদ্ধি করতে পারি। নোবেল পেয়েছেন আনন্দের কথা। দেশের উন্নতিতে তার কি contribution জানা নেই। যদি কেউ এই বিষয়ে আলোকপাত করতে পারেন তবে খুব ভালো হয়।”
সঞ্জীব রায় লিখেছেন, “ওনার হাত ধরে দেশ স্বাধীন হয়েছিল”। সবিতা চৌধুরী লিখেছেন, “কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয় , সে নোবেল বিজয়ী হতে পারে বা অন্য কেউ । কবি হতে পারে , ছবি আঁকতে পারে, গান গাইতে পারে !!” মুনমুন ভদ্র লিখেছেন, “হ্যালো!! খুব হাসালেন। অমর্ত্য সেন আমাদের দেশকে কতটা সমৃদ্ধশালী করেছেন? নিয়ম সকলের ব্যাপারে এক।“
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত