কৃষ্ণনগর পৌরসভা কার্যত দেউলিয়া, ছাঁটাই অনিবার্য ছিল: মহুয়া মৈত্র
কৃষ্ণনগর, ৬ জানুয়ারি ( হি. স.) : তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত কৃষ্ণনগর পৌরসভা কার্যত আর্থিক দেউলিয়াত্বের মুখে পড়েছিল বলেই অস্থায়ী কর্মীদের ছাঁটাই ছাড়া অন্য কোনও উপায় ছিল না— মঙ্গলবার এমনটাই দাবি করলেন কৃষ্ণনগরের লোকসভা সাংসদ মহুয়া মৈত্র। ছাঁটাই হওয়া পৌ
সাংবাদিক বৈঠকে মহুয়া


কৃষ্ণনগর, ৬ জানুয়ারি ( হি. স.) : তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত কৃষ্ণনগর পৌরসভা কার্যত আর্থিক দেউলিয়াত্বের মুখে পড়েছিল বলেই অস্থায়ী কর্মীদের ছাঁটাই ছাড়া অন্য কোনও উপায় ছিল না— মঙ্গলবার এমনটাই দাবি করলেন কৃষ্ণনগরের লোকসভা সাংসদ মহুয়া মৈত্র। ছাঁটাই হওয়া পৌর কর্মীদের চলমান বিক্ষোভ প্রসঙ্গে মঙ্গলবার নদিয়া জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।উল্লেখ্য, গত ৩১ ডিসেম্বর কৃষ্ণনগর পৌর কর্তৃপক্ষ প্রায় ২৫০ জন অস্থায়ী কর্মীর চাকরি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১ জানুয়ারি থেকে তীব্র শীত উপেক্ষা করে পৌরসভার সামনে অবস্থান বিক্ষোভ চালাচ্ছেন ছাঁটাই হওয়া কর্মীরা।মহুয়া মৈত্র জানান, কৃষ্ণনগর পৌরসভাকে প্রতি মাসে স্থায়ী ও অস্থায়ী কর্মীদের বেতন বাবদ মোট ১.৩৬ কোটি টাকা ব্যয় করতে হচ্ছিল। এর মধ্যে ২৯১ জন স্থায়ী কর্মীর বেতন বাবদ প্রায় ২৪.৭৬ লক্ষ টাকা এবং পেনশন বাবদ প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা খরচ হতো। পাশাপাশি ৭৩০ জন চুক্তিভিত্তিক ও অনুমোদনহীন কর্মীর বেতন বাবদ প্রায় ৭১ লক্ষ টাকা ব্যয় হচ্ছিল।এই আর্থিক চাপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অস্থায়ী কর্মীদের ছাঁটাইয়ের ফলে পৌরসভা প্রতি মাসে প্রায় ৬৫ লক্ষ টাকা সাশ্রয় করতে পারবে। ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের পুনর্বহালের সম্ভাবনাও কার্যত নেই বলে তিনি ইঙ্গিত দেন। তৃণমূল সমর্থক কর্মীদের নিয়োগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন উঠলে তিনি জানান, পৌরসভার নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে, যা দলীয় স্তরে বিষয়টির গুরুত্বকেই প্রমাণ করে।

হিন্দুস্থান সমাচার / এ. গঙ্গোপাধ্যায়




 

 rajesh pande