দাড়িভিট মামলায় হাইকোর্টের রায়কে স্বাগত এবিভিপি-র
কলকাতা, ৬ জানুয়ারি (হি.স.): দাড়িভিট মামলায় বড় ধাক্কা খেয়েছে রাজ্য সরকার। এনআইএ তদন্তের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে করা রাজ্যের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। একই সঙ্গে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মামলার তদন্তে কোনও অন্তর্বর্তীকালী
দাড়িভিট মামলায় হাইকোর্টের রায়কে স্বাগত এবিভিপি-র


কলকাতা, ৬ জানুয়ারি (হি.স.): দাড়িভিট মামলায় বড় ধাক্কা খেয়েছে রাজ্য সরকার। এনআইএ তদন্তের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে করা রাজ্যের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। একই সঙ্গে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মামলার তদন্তে কোনও অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশও দেওয়া হবে না। কলকাতা হাইকোর্টের এই রায়ে খুশি প্রকাশ করেছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)। মঙ্গলবার এবিভিপি-র পক্ষ থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি) ২০১৮ সালের দাড়িভিট ঘটনার তদন্তে জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ)-কে বহাল রাখার কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে সর্বান্তকরণে স্বাগত জানাচ্ছে। ওই ঘটনায় পুলিশের গুলিতে দুই নিরীহ ছাত্র ও এবিভিপি কর্মী রাজেশ সরকার এবং তাপস বর্মন প্রাণ হারিয়েছিলেন। এবিভিপি-র মতে, আদালতের এই সিদ্ধান্ত ন্যায়বিচারের দিকে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

এবিভিপি আরও জানিয়েছে, এই রায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জন্য একটি বড় ধাক্কা, যারা বারবার তদন্তকে ব্যাহত ও দুর্বল করার চেষ্টা করেছিল। এনআইএ তদন্ত বহাল রাখার মাধ্যমে আদালত পুনরায় নিশ্চিত করেছে, রাজনৈতিক প্রভাবকে ন্যায়বিচারের পথে বাধা হতে দেওয়া যাবে না, বিশেষ করে এমন একটি মামলায় যেখানে তরুণ প্রাণহানি ঘটেছে। এবিভিপি রাজেশ সরকার এবং তাপস বর্মনের পরিবারের পাশে থাকার পাশাপাশি দোষীদের বিচারের আওতায় না আনা পর্যন্ত ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অটল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে।

এবিভিপি-র জাতীয় সাধারণ সম্পাদক ডঃ বীরেন্দ্র সিং সোলাঙ্কি বলেছেন, এবিভিপি রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে, তাঁরা যেন দোষীদের আড়াল না করে এবং এনআইএ তদন্তে সহযোগিতা করে। পাশাপাশি আইনের শাসনকে সম্মান জানায়। আমরা বিশ্বাস করি, শুধুমাত্র একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ ও স্বাধীন তদন্তই পুলিশের গুলির নেপথ্যের সত্য উদ্ঘাটন করতে পারে এবং এনআইএ-ই একটি নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনার জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande