শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবী মেডিক্যাল কলেজের স্বীকৃতি বাতিল ধর্মীয় আস্থায় আঘাত, শিবসেনা
জম্মু, ৭ জানুয়ারি (হি.স.): শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবী মেডিক্যাল কলেজের স্বীকৃতি বাতিলের সিদ্ধান্তকে হিন্দু সমাজের প্রতি চরম অবিচার ও ধর্মীয় আস্থার উপর সরাসরি আঘাত বলে আখ্যা দিয়েছে শিবসেনা (ইউবিটি)। বুধবার জম্মুতে দলের রাজ্য কার্যালয়ে আয়োজিত এক কর্ম
শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবী মেডিক্যাল কলেজের স্বীকৃতি বাতিল ধর্মীয় আস্থায় আঘাত, শিবসেনা


জম্মু, ৭ জানুয়ারি (হি.স.): শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবী মেডিক্যাল কলেজের স্বীকৃতি বাতিলের সিদ্ধান্তকে হিন্দু সমাজের প্রতি চরম অবিচার ও ধর্মীয় আস্থার উপর সরাসরি আঘাত বলে আখ্যা দিয়েছে শিবসেনা (ইউবিটি)। বুধবার জম্মুতে দলের রাজ্য কার্যালয়ে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে এই মন্তব্য করেন শিবসেনা (ইউবিটি) জম্মু-কাশ্মীর ইউনিটের সভাপতি মনীশ সাহনি।

তিনি বলেন, সমস্যার সমাধান না খুঁজে গোটা প্রতিষ্ঠানই বন্ধ করে দেওয়ার নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। “এ যেন সাপও মারা হল, আবার লাঠিও ভেঙে গেল”—এই প্রবাদের উল্লেখ করে সাহনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত হিন্দু সমাজের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা এবং ধর্মীয় আস্থায় কুঠারাঘাতের সমান।

জাতীয় মেডিক্যাল কমিশনের (এনএমসি) সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা করে সাহনি বলেন, ২০১৬ সালে হাসপাতালের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এই মেডিক্যাল কলেজের যাত্রা শুরু হয়েছিল এবং এটি ধাপে ধাপে উন্নয়নের পথে এগোচ্ছিল। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, জম্মু ও কাশ্মীরের উপরাজ্যপাল মনোজ সিনহা এই প্রতিষ্ঠানকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বিশেষ উপহার হিসেবে তুলে ধরেছিলেন।

সাহনির অভিযোগ, হঠাৎ করেই একাধিক ত্রুটি দেখিয়ে মাত্র চার মাসের মধ্যে কলেজের স্বীকৃতি বাতিল করা হয়েছে এবং কোটি কোটি টাকার ব্যাঙ্ক গ্যারান্টিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, “এটা আমাদের জয় নয়, বরং আমাদের সঙ্গে করা বিশ্বাসঘাতকতা।”

এ প্রসঙ্গে জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার কলেজ বন্ধ সংক্রান্ত মন্তব্যকে দায়িত্বজ্ঞানহীন বলেও আক্রমণ করেন শিবসেনা নেতা।

শিবসেনা (ইউবিটি)-র রাজ্য সভাপতি স্পষ্ট জানিয়েছেন, শ্রী মাতা বৈষ্ণো দেবী বিশ্ববিদ্যালয় আইনে সংশোধন এনে এটিকে হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা দেওয়া এবং হিন্দুদের জন্য বিশেষ কোটা চালু না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

এদিনের কর্মসূচিতে দলের নীতি ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বহু যুবক শিবসেনায় যোগ দেন। মনীশ সাহনি তাঁদের শিববন্ধন ও দলীয় পতাকা তুলে দিয়ে স্বাগত জানান। একই সঙ্গে শান গোস্বামীকে ওয়ার্ড নম্বর ৪৭-এর সভাপতি হিসেবে নিয়োগ করা হয়।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande