
ঢাকা, ২৫ ফেব্ৰুয়ারি (হি.স.) : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সহ তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকারের উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে মামলা করার ঘোষণা করেছেন। সম্প্রতি একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা করেছেন তিনি।
অধ্যাপক কার্জন তাঁর বক্তব্যে মামলার জন্য প্রধানত চারটি সুনির্দিষ্ট কারণ বা ভিত্তি উল্লেখ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংবিধান লঙ্ঘন করেছে এবং রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করেছে। ড. ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে সব চুক্তি করেছেন, সেগুলোকে চ্যালেঞ্জ করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে ভাঙচুর ও দুষ্প্রাপ্য নথিপত্র ধ্বংসের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান।
তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ‘সেখানে যে দুষ্প্রাপ্য ডকুমেন্ট ও অ্যাভিডেন্স ছিল, তা দেশি-বিদেশি কার ইন্ধনে বারবার ভাঙা হলো? অন্তর্বর্তী সরকারের কারা ভেতর থেকে এটা হতে দিলেন এবং সেখানে পুলিশ বা সেনাবাহিনী কেন পৌঁছাল না, তা নিয়ে আমি মামলা করব।’
অধ্যাপক কার্জন গত ১৮ মাসে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারির বিষয়টিকে 'অস্বাভাবিক' হিসেবে অভিহিত করেছেন। বিবিসি-র একটি প্রতিবেদনের সূত্র তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, এই ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১৩২টিই এখন অনিশ্চয়তার মুখে।
অধ্যাপক কার্জন স্পষ্ট করে বলেন, ‘ইউনূস অ্যান্ড গ্যাঙদের’ বিচার হওয়া উচিত মূলত সংবিধান রক্ষা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ ও ইতিহাস সংরক্ষণে ব্যর্থতার দায়ে।
হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস