পশ্চিমবঙ্গের এমএসএমই শিল্পে জোয়ার আনতে প্রযুক্তির মেলবন্ধন: অ্যাডামাস বিশ্ববিদ্যালয়ে শিল্প সম্মেলন
কলকাতা, ২০ মার্চ ( হি. স.) : পশ্চিমবঙ্গের শিল্প পুনরুজ্জীবন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে শুক্রবার শহরে একটি বিশেষ শিল্প সম্মেলনের আয়োজন করে অ্যাডামাস বিশ্ববিদ্যালয়। অ্যাডামাস টেক কনসাল্টিং-
শিল্প সম্মেলনের আয়োজনে আ্যডামাস বিশ্ববিদ্যালয়


কলকাতা, ২০ মার্চ ( হি. স.) : পশ্চিমবঙ্গের শিল্প পুনরুজ্জীবন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে শুক্রবার শহরে একটি বিশেষ শিল্প সম্মেলনের আয়োজন করে অ্যাডামাস বিশ্ববিদ্যালয়। অ্যাডামাস টেক কনসাল্টিং-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই সম্মেলনে নীতিনির্ধারক, ব্যাঙ্কার, প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতি এবং উদীয়মান উদ্যোক্তারা অংশগ্রহণ করেন।

রাজ্যের অর্থনীতিতে এমএসএমই ক্ষেত্রের গুরুত্ব তুলে ধরে উপস্থিত বিশেষজ্ঞরা জানান, উৎপাদন, বস্ত্র ও পরিষেবা ক্ষেত্রে বাংলার দীর্ঘ ঐতিহ্য থাকলেও বর্তমান বিশ্ববাজারে টিকে থাকতে আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ ও উৎপাদনশীলতা বাড়ানো অপরিহার্য। সম্মেলনে সহজ শর্তে ঋণপ্রাপ্তি, সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার সরলীকরণ এবং দক্ষতা উন্নয়নকে ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

অ্যাডামাস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সমিত রায় বলেন, “পরিবর্তিত ব্যবসায়িক পরিবেশে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকতে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের কোনো বিকল্প নেই। নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়াতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকেও অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে।” অন্যদিকে, অ্যাডামাস টেক কনসাল্টিং-এর ফাউন্ডার ডিরেক্টর রজত শুভ্র রায় তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ব্যবসার ডিজিটাল রূপান্তরের ওপর বিশেষ জোর দেন।

এদিনের সম্মেলনে ইউকো ব্যাঙ্ক, স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং এনএসআইসি -সহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ক্ষুদ্র শিল্পের জন্য ঋণপ্রবাহ ও নীতিগত সহায়তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এর পাশাপাশি সরবরাহ শৃঙ্খল দক্ষতা ও শিল্পের স্থিতিশীলতা নিয়ে একটি বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনের শেষপর্বে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বাংলার এমএসএমই ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande