চিরঘুমে হরিশ রানা, নিষ্কৃতি মৃত্যুর পর শেষকৃত্য সম্পন্ন
নয়াদিল্লি, ২৫ মার্চ (হি.স.): দীর্ঘ ১৩ বছরের যন্ত্রণার অবসান হয়েছে মঙ্গলবার। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন হরিশ রানা। ভারতের ইতিহাসে এই প্রথমবার আইনিপথে নিষ্কৃতি মৃত্যু হল কোনও ব্যক্তির। মঙ্গলবার দিল্লির এইমসে মৃত্যু হয় তাঁর। আর বুধবার সকালে দিল্লির গ্রি
চিরঘুমে হরিশ রানা, নিষ্কৃতি মৃত্যুর পর শেষকৃত্য সম্পন্ন


নয়াদিল্লি, ২৫ মার্চ (হি.স.): দীর্ঘ ১৩ বছরের যন্ত্রণার অবসান হয়েছে মঙ্গলবার। শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন হরিশ রানা। ভারতের ইতিহাসে এই প্রথমবার আইনিপথে নিষ্কৃতি মৃত্যু হল কোনও ব্যক্তির। মঙ্গলবার দিল্লির এইমসে মৃত্যু হয় তাঁর। আর বুধবার সকালে দিল্লির গ্রিন পার্ক শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। চোখের জলে হরিশকে শেষ বিদায় জানান তাঁর মা-বাবা, আত্মীয়-পরিজনরা।

সুপ্রিম কোর্টের নিষ্কৃতি মৃত্যুর নির্দেশ মেনে ধীরে ধীরে লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলা হয় হরিশের। তাঁর মুক্তির বিষয়টির জন্য যা যা করণীয় তা গত কয়েকদিনেই সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল। এরপর মঙ্গলবার তাঁকে চোখের জলে বিদায় দেন তাঁর মা-বাবা, আত্মীয়-পরিজনরা। হাসপাতালের পক্ষ থেকেও জানানো হয়, মৃত্যু হয়েছে হরিশের।

প্রসঙ্গত, ১৩ বছর আগে ব্যালকনি থেকে পড়ে গিয়েছিলেন হরিশ। গুরুতর জখম হন। মাথায় ভয়ানক চোট পান। আর সুস্থ হননি পঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র। এরপর থেকে ছিলেন কোমায়। বেঁচে ছিলেন লাইফ সাপোর্টেই। অক্সিজেন এবং তরল খাবারের সাহায্যেই তাঁর শ্বাস-প্রশ্বাস চলছিল। এরপর গত ১১ মার্চ হরিশের পরিবারের আবেদন মেনে তাঁর নিষ্কৃতি মৃত্যুর মামলার পক্ষে রায় দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। গত ১৪ মার্চ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় তাঁকে। হাসপাতালের পক্ষ থেকে গঠন করা হয় মেডিক্যাল বোর্ড। ধীরে ধীরে তরল খাবার, জল-সহ লাইফ সাপোর্ট বন্ধ করে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। মৃত্যুর সময় যাতে কষ্ট তুলনামূলক ভাবে কিছুটা কম হয় তার জন্য দেওয়া হচ্ছিল পেন কিলারও। এরপর মঙ্গলবার মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande